বিগত বছর ধরে সঙ্কটমোচন রূপে হনুমানজী পূজিত হয়ে আসছেন বালির নিশ্চিন্দাতে

বিগত বছর ধরে সঙ্কটমোচন রূপে হনুমানজী পূজিত হয়ে আসছেন বালির নিশ্চিন্দাতে
আজবাংলা     হিন্দু 8ে প্রত্যেকটি দিনেরই রয়েছে পৃথক পৃথক তাৎপর্য | সেই হিসেবে মঙ্গলবার দিনটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ | আর এই দিনেই হনুমানজীর পুজো করলে হয় পুণ্যলাভ | আমরা সকলেই জানি রাবণের কাছে বন্দি থাকা দেবতাদের রক্ষা করেছিলেন পবনপুত্র হনুমান | আজ তারই বার | রামচন্দ্রের সব থেকে বড় ভক্ত বজরঙ্গবলী আসলে চিরকুমার | সেই কারণেই তাঁকে ‘বাল ব্রহ্মচারী’ বলা হয় | শ্রীরামচন্দ্র বলে গিয়েছেন যে হনুমানজীর মধ্যেই তিনি বিরাজ করেন | হনুমানজীর পুজো করা মানেই শ্রীরামচন্দ্রের পুজো করা এবং শ্রীরামচন্দ্রের পুজো করা মানেই হনুমানজীর পুজো করা | আজকের দিনে হনুমানজীকে স্মরণ করলে, পুজো করলে, তাঁর স্তব অথবা হনুমান চল্লিশা পাঠ করলে হনুমানজির বিশেষ কৃপা লাভ হয় | হনুমানজী শ্রীরামচন্দ্রের পরম ভক্ত | তাই তাঁর সেবা করলে শ্রীরামচন্দ্রেরও কৃপা লাভ হয় | পবনপুত্র হনুমানের কৃপায় জীবন অত্যন্ত সুন্দর হয়ে ওঠে | বাধা বিপত্তি কাটে মুহূর্তেই | হাওড় জেলার বালির নিশ্চিন্দাতে অবস্থিত আছে হনুমানজীর একটি মন্দির | বালির এই মন্দিরটি স্থাপিত হয়েছে ২০১৯ সালের ১৯ এপ্রিলে | স্থানীয় মানুষদের সহযোগিতায় গড়ে ওঠে হনুমানজীর এই মন্দিরটি | এই মন্দির প্রাঙ্গনে রোজই ভিড় করেন সকল ভক্তরা | তার আশীর্বাদ পাওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসেন  এই মন্দিরে | বালির এই মন্দিরটির ১৯ এপ্রিল হনুমানজয়ন্তীর দিন স্থাপন করা হয়েছিল | বহু প্রচেষ্টার অবসান ঘটিয়ে এই মন্দিরটি গড়ে উঠেছে | মন্দির কর্তৃপক্ষর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কিছু মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই মন্দিরটি গড়ে তোলা হয় | এই মন্দিরে প্রত্যেকদিন সকাল বিকেল করা হয় হনুমানজীর আরতি | প্রতিবছর হনুমানজয়ন্তীর দিন বিশাল বড় করে পুজোর আয়োজন করা হয় এই মন্দিরে | এই মন্দিরে অবস্থিত হনুমানজী হলেন পঞ্চমুখী হনুমানজী | তারসঙ্গে পাশে রয়েছেন অষ্টধাতুর একমুখী হনুমানজী | মন্দিরটি হল দক্ষিণ মুখ | প্রতিদিন সকাল-বিকেল স্থানীয় বাসিন্দারা এসে ভিড় করেন মন্দির চত্বরে |   b1y