চীনে উইঘুর সম্প্রদায়ের ১০ লাখ মুসলিমকে আটক । দাবি জাতিসংঘের

Uyghur Muslims
উইঘুর মুসলিম

আজবাংলা   চীনের সরকার ১০ লাখ উইঘুর মুসলিমকে আটকে রেখেছে বলে আভিযোগ জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক একটি কমিটির । জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিটি জানিয়েছে, চীন ১০ লাখ উইঘুর মুসলিমকে ‘কাউন্টার-এক্সট্রিমিজম সেন্টারগুলোয়’ আটক রেখেছে। জেনেভায় চলমান অধিবেশনে জাতিসংঘের জাতিগত বৈষম্য নির্মূল কমিটির সদস্য গে ম্যাকডওগাল চীনের ওপর জাতিসংঘের দুদিনব্যাপী বৈঠকে এ দাবি করেছেন। শিনচিয়াং প্রদেশে  মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। তাঁরা উইঘুর সুন্নি মুসলমান। বিচ্ছিন্নতাবাদ ও ধর্মীয় জঙ্গিবাদের হিংসাত্মক তৎপরতা রয়েছে এই প্রদেশে। উইঘুর জঙ্গিদের প্রধান সংগঠন ইস্ট তুর্কিস্তান ইসলামিক মুভমেন্টকে (ইআইটিএম)  সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ।এই ধরনের আরো খবর জানতে আমাদের ফেসবুক পাতায় লাইক করুন

 

 

শিনজিয়াংয়ের মুসলিম সংখ্যালঘুদের ব্যাপক হারে আটক করা হচ্ছে বলে গত কয়েক মাস ধরে এ খবর ছড়িয়ে পড়ে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো জাতিসংঘের ওই কমিটির কাছে নানা তথ্যচিত্র তুলে ধরে দাবি করেছে, চীনা মুসলমানদেরকে বন্দিশিবিরে আটকে রেখে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। উইঘুর মুসলমানদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেস বলেছে, বন্দিদেরকে কোনো অভিযোগ গঠন ছাড়াই আটকে রাখা হচ্ছে এবং সেখানে তাদেরকে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির শ্লোগান দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। বন্দিদেরকে ঠিকমতো খেতে দেয়া হয় না এবং ব্যাপকভাবে নির্যাতন করা হয়। জাতিসংঘের ‘এলিমিনেশন অব র‍্যাসিয়াল ডিসক্রিমিনেশন’ কমিটির সদস্য গে ম্যাকডোগাল গত শুক্রবার জেনেভায় ওই আন্তর্জাতিক সংস্থার চীন বিষয়ক দু’দিনব্যাপী বৈঠকের প্রথমদিনে এ দাবি করেছেন। চীনের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। বেইজিং অবশ্য এ ধরনের বন্দিশিবিরের অস্তিত্ব থাকার কথা অস্বীকার করেছে।