বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য ১০ শহর

বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য ১০ শহর

পাঁচটি মহাদেশের ৬০টি শহরের মধ্যে নিরাপত্তা সূচকের তালিকা প্রকাশ করল ব্লুমবার্গ সংস্থা। ডিজিটাল, স্বাস্থ্য পরিকাঠামো, সামগ্রিক নগর সুরক্ষার মূল্যায়নের ভিত্তিতেই এই তালিকা প্রকাশ করা হল। এই তালিকার প্রথম সারিতে এসেছে সেই সব শহর যেগুলিতে উচ্চমানের স্বাস্থ্যপরিষেবা, সাইবার সুরক্ষা,

বিপর্যয় মোকাবিলার পরিকল্পনা, পুলিশি টহলদারি ব্যবস্থা উন্নত বর্তমান।চোখ জুড়ানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর শান্তিময় পরিবেশ এসব শহরকে সুখীদের রাজ্য করে তুলেছে। এখানে জেনে নিন বিশ্বের এমনই ১০টি শহরের কথা যা পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী শহর বলে বিবেচিত হয়েছে

ভিয়েনা: ভিয়েনা (জার্মান ভাষায় Wien ভ়ীন্‌) অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং ইউরোপের একটি ঐতিহাসিক শহর। দানিউব নদীর তীরে অবস্থিত ভিয়েনা।বসবাসের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ভালো শহর হিসেবে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার নাম উঠে এসেছে।

স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি, পরিবেশ, শিক্ষা ও অবকাঠামো বিবেচনা করে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।  ভিয়েনার জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে ১৮ লাখ। খাবার, পরিবহন থেকে শুরু করে থিয়েটার, জাদুঘর ও অপেরার সব জায়গায়ই দেশটিতে ব্যয় পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় কম। সুগঠিত নগর কাঠামো, নিরাপদ রাস্তাঘাট আর ভালো গণস্বাস্থ্যসেবা ভিয়েনাকে বসবাসের জন্য বিশ্বের সেরা শহরে পরিণত করে তুলেছে ।

মেলবোর্ন: ভিয়েনার আগে ‘গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স’ তালিকায় টানা সাত বছর শীর্ষে ছিল অস্ট্রেলিয়ার সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত মেলবোর্ন।

সিডনি: পঞ্চম থেকে এবার তালিকায় তিন নম্বরে উঠে এসেছে অস্ট্রেলিয়ার আরেক শহর সিডনি। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কিছু পদক্ষেপ নেয়ার মাধ্যমে পরিবেশ খাতে স্কোর বাড়ায় তালিকায় উপর উঠে এসেছে শহরটি।

ওসাকা: সিডনির কাছে তৃতীয় স্থান হারিয়েছে ওসাকা। ২০১৮ সালের আগে কিন্তু তালিকার শীর্ষ দশে কিন্তু জাপানের এই শহরটির নাম ছিল না। তবে অপরাধের হার কমিয়ে ও গণপরিবহনের মান বাড়িয়ে তালিকায় ঢুকে পড়েছে শহরটি।

ক্যালগেরি: উত্তর অ্যামেরিকার সবচেয়ে বসবাসযোগ্য শহর হয়েছে ক্যানাডার ক্যালগেরি।

ভ্যাঙ্কুভার: ২০০২ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বসবাসযোগ্য শহর ছিল এটি।

টরন্টো: ক্যানাডার সবচেয়ে জনবহুল শহর টরন্টো বিশ্বের সবচেয়ে মাল্টিকালচারাল শহরের স্বীকৃতি পেয়েছে। বাসিন্দাদের ৫১ শতাংশের জন্ম ক্যানাডার বাইরে।

টোকিও: ২০২০ সালের অলিম্পিক সামনে রেখে টোকিওর চেহারা পরিবর্তন আনা হচ্ছে। বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ শহরের তালিকায়ও জাপানের রাজধানীর নাম রয়েছে।

কোপেনহেগেন: শীর্ষ দশে ভিয়েনার পর ইউরোপের আর মাত্র একটি শহরের নাম ঠাঁই পেয়েছে। সেটি হচ্ছে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন। শহরটি বিশ্বের সবচেয়ে সাইকেলবান্ধব হওয়ার আশা করছে। ২০২৫ সালের মধ্যে যাত্রীদের ৫০ শতাংশ সাইকেলে চড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

অ্যাডেলেড: সিটি অফ চার্চ হিসেবে খ্যাত অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডেলেডের জনসংখ্যা ১৩ লাখ। বিশ্বখ্যাত সৈকত ও রেস্তোরাঁর কারণে এই শহরে পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে।