১০৩২৩ শিক্ষকের লিভ সেলারি এবং জিপিএফের টাকা মিটিয়ে দেওয়া সংক্রান্ত

১০৩২৩ শিক্ষকের লিভ সেলারি এবং জিপিএফের টাকা মিটিয়ে দেওয়া সংক্রান্ত বিষয়ে এবার বিজ্ঞপ্তি জারি করল মধ্য শিক্ষা দফতর।

১০৩২৩ শিক্ষকের লিভ সেলারি এবং জিপিএফের টাকা মিটিয়ে দেওয়া সংক্রান্ত বিষয়ে এবার বিজ্ঞপ্তি জারি করল মধ্য শিক্ষা দফতর। এর ফলে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরেও যারা সংসদ এবং বিধানসভায় বিশেষ অধ্যাদেশের আশায় বুক বেঁধেছিলেন তাদের সেই আশা সমূলে বিনাশ হয়ে গেল। হাতে রইল শুধুই অ্যাডহক চাকরি। আর এই চাকরির মেয়াদ ততদিনই থাকবে যতদিন সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারের আবেদন নিয়ে শুনানি চলবে। অথবা সুপ্রিম কোর্ট যদি রাজ্য সরকারের আবেদন মেনে ২০২০ সাল পর্যন্ত অ্যাডহক চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধিতে অনুমতি দেয় তবেই। অন্যথায় অ্যাডহক চাকরিও চলে যেতে পারে যে কোন সময়। রাজ্য সরকার আগেই নিশ্চিত ছিল ১০৩২৩ শিক্ষকের চাকরি রক্ষায় আর কোন পথই খােলা নেই। ফলে এবার সময় এসেছে এই শিক্ষকেরা তাদের চাকরি জীবনে যে সমস্ত অর্জিত ছুটি ভােগ করেননি সেই ছুটির পাওনা গণ্ডা মিটিয়ে দেওয়া, সঙ্গে জিপিএফের টাকা মিটিয়ে দেওয়া।মুলত সেই লক্ষ্যেই গত ৩ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন মধ্য শিক্ষা দফতরের অধিকর্তা ইউকে চাকমা। বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে ৫ অক্টোবর। এই বিজ্ঞপ্তিতে সমস্ত জেলা শিক্ষা আধিকারিক এবং হেড অব অফিস তথা ডিডিওদেরকে শিক্ষকদের পাওনা গণ্ডা মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এইবিজ্ঞপ্তিতে সরাসরি ১০৩২৩ শব্দটি ব্যবহার না করা হলেও বলা হয়েছে, ২৯/৩/ ২০১৭ সালে মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের যে শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বেঁধে দিয়েছেন, তাদের সমস্ত পাওনা গণ্ডা মিটিয়ে দিতে হবে। এটা ঘটনা, এই পাওনা গণ্ডার সঙ্গে অ্যাডহক চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি কিংবা চাকরি ছাঁটাই হয়ে যাওয়ার সঙ্গে কোন সম্পর্ক নেই। তবে এর ফলে এই চাকরিগুলাে থেকে যাওয়া সম্পর্কিত আর কোনও আশা বেঁচে রইল না। ফলে আশাও নিঃশ্বেষিত হল।