কৃষ্ণনগর পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে শুরু হলো ২৫ তম প্রতিবন্ধী কল্যাণ মেলা

মলয় দে  আজবাংলা   কৃষ্ণনগর :-   "আমরাও এই সমাজের সন্তান"বিশেষভাবে সক্ষম সংখ্যাতত্ত্বের নিরিখে বাড়ছে ক্রমাগত। সমাজে যা কিছু অনুষ্ঠান, যা অন্য সকলর উপভোগযোগ্য তা থেকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাদ পড়ে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষ। তাই তাদের নিয়ে "মেলা"শুধু নদীয়াজেলাতেই নয় পশ্চিমবঙ্গের অদ্বিতীয় ও অনন্য। বিগত ২৪ বছর থেকে, এ ধরনের আয়োজন করে আসছে নদীয়া জেলা প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতি। কৃষ্ণনগর চার্জ করে তাদের সাংগঠনিক অফিসে নিত্যনৈমিত্তিক সহায়তা করা হয় প্রতিবন্ধী যাবতীয় বিষয়। একটি ব্লাইন্ড স্কুলও পরিচালিত হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে। সংগঠনের সম্পাদক মানব দাস জানান, "শুধু জেলা নয় এই দিনটির অপেক্ষায় থাকে জেলার বাইরে বিভিন্ন প্রান্তের বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিত্বরা। তাদের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে প্রতিভা, নাচ, গান ,আবৃত্তি নাটক, পড়াশোনা ,খেলাধুলা, শরীরচর্চা এমনকি সমাজসেবায় কৃতিত্ব দাবি রাখে তারা। এই দিনটি তাদের নিজেদের মঞ্চ ভেবে প্রদর্শিত করে অনেক কিছু, যা দেখলে তাক লেগে যায় সাধারণ মানুষের। অনুপ্রাণিত হন আরো দর্শকাসনে থাকা হাজারো প্রতিবন্ধী।"সংগঠনের চেয়ারম্যান ডক্টর বাসুদেব মন্ডল পেশায় চিকিৎসক হলেও মূল লক্ষ্য সমাজের মূল স্রোতে এদের ফিরিয়ে নিয়ে আসা, তিনি জানান "তিন দিনের এই মেলায়, প্রচার ছাড়াই জেলার সকল বিশেষভাবে সক্ষম উপস্থিত হন আশ্চর্যভাবে, আসল সকলেই এই তিন দিন, নিজেদের প্রয়োজনে মনে রাখে। নতুন সরকারি বেসরকারি সুযোগ-সুবিধা সুবিধা, স্বনির্ভর হওয়ার সুলুক-সন্ধান সহ একাধিক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনার ফলে অনেকটাই পরিষ্কার হয় তাদের কাছে, ফিরে গিয়ে না উপস্থিত হওয়া দিব্যাঙ্গ সমাজের সকলকে তথ্য দিয়েঅনুপ্রাণিত করতে পারে তারা। তাই আয়োজনে সরকারি অর্থ বরাদ্দ না হলেও, অনেক সহৃদয় মানুষ, সমাজের সব অংশের সচেতন নাগরিক যথাসাধ্য সহযোগিতা করে এই অনুষ্ঠানে।"