রাজ্যে ঝড়ের তাণ্ডবে ৪ জনের মৃত্যু

রাজ্যে ঝড়ের তাণ্ডবে ৪ জনের মৃত্যু

দীর্ঘ দাবদাহের  (heatwave)পর অবশেষে স্বস্তির কালবৈশাখী (norwester)। কিন্তু ঝড়ের তাণ্ডবে দক্ষিণবঙ্গের (south bengal) একাধিক জায়গায় নাকাল হতে হল সাধারণ মানুষকে। কোথাও হল নৌকাডুবি, কোথাও ব্যাঘাত ঘটল ট্রেন পরিষেবায়। দুই মেদিনীপুরে বজ্রাঘাতে ও গাছের ডাল পড়ে মোট ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। কলকাতা বিমানবন্দরে ব্যাহত হয় পরিষেবা।

এয়ার টার্বুলেন্সের কবলে পড়ে একটি বিমান।  দুই মেদিনীপুরে বজ্রাঘাত ও গাছের ডাল ভেঙে মোট ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে নন্দীগ্রামের দেবীপুরে বাজ পড়ে মৃত্যু হয়েছে মা ও ছেলের। এদিকে ময়নাতে গাছ ভেঙে মৃত্যু হয়েছে এক বালকের। পশ্চিম মেদিনীপুরে তোরণ ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয়েছে একজনের।

এদিকে, জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতেও ঝড়ের দাপটে ঘর হারিয়ে পথে দাঁড়াতে হয়েছে শতাধিক পরিবারকে। প্রশাসন সূত্রে খবর, ঝড়ে গাছ চাপ পড়ে আহত হয়েছেন ৩ জন।  গোসাবায় রায়মঙ্গল নদীতে ডুবে যায় মালবাহী নৌকা। চিমটা বাজারের কাছে ঝড় ও প্রবল ঢেউয়ে উল্টে যায় নৌকাটি। স্থানীয়দের চেষ্টায় উদ্ধার করা হয় নৌকার ৫ যাত্রীকে।

 আড়াই ঘণ্টা ধরে শিয়ালদার দক্ষিণ শাখায় ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। যাদবপুর-ঢাকুরিয়ার মধ্যে লাইনে গাছ পড়ে বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল। আরামবাগের কাছে প্যান্টোগ্রাফ ভেঙে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনে বৈঁচি স্টেশনের কাছে রেললাইনে গাছ পড়ে বিপত্তি ঘটে। কর্ড লাইনে বেলমুড়িতে গাছ পড়ে কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল।

 আলিপুরে ১১.৩ মিলিমিটার ও দমদমে ২৭.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে খবর আলিপুর আবহাওয়া দফতর (alipore weather department) সূত্রে খবর। পাশাপাশি সন্ধে ৭টা ২৩ মিনিট কলকাতায় সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ৬৪ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়েছে। আগামীকালও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে।  পাশাপাশি সোমবার থেকে তীব্র গরম থেকে মুক্তি মিলতে পারে বলেই খবর আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর।