Chanakya Niti| চাণক্যের মতে এই ৩ অভ্যাস ত্যাগ করলেই মা লক্ষীর আশির্বাদ বর্ষিত হবে

Chanakya Niti| চাণক্যের মতে এই ৩ অভ্যাস ত্যাগ করলেই মা লক্ষীর আশির্বাদ বর্ষিত হবে

চাণক্যের রচনা গুপ্ত সাম্রাজ্যের শাসনের শেষ দিকে অবলুপ্ত হয় এবং ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে পুনরাবিষ্কৃত হয়। প্রাচীন তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি ও রাষ্ট্রনীতির অধ্যাপক চাণক্য পরবর্তীকালে মৌর্য্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্যের উত্থানে প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করেন। চাণক্য চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য্য ও তার পুত্র বিন্দুসারের রাজ-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বলা হয়ে থাকে লক্ষী চঞ্চলা।

তিনি এক জায়গায় বেশীক্ষণ স্থায়ী থাকেন না৷ লক্ষী যে বাড়িতে অধিষ্ঠান করেন সেই বাড়ি যেমন সম্পদ, ঐশ্বর্য,  সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যে পরিপূর্ণ হয় তেমনই তিনি যে বাড়ি ত্যাগ করেন সেই বাড়িতে নেমে আসে শোক ও দুঃখের করাল ছায়া। আচার্য চাণক্য বলেছেন, এই তিনটি বদভ্যাসের জন্য লক্ষী ত্যাগ করেন মানুষকে।

 অপমান করার অভ্যাস

যিনি অন্যকে অপমান করেন তাকে মা লক্ষী কখনোই পছন্দ করেন না। অপমানকারীকে মা লক্ষী ত্যাগ করেন। তাই কোনো অবস্থাতেই কাউকে অপমান করবেন না। এই অভ্যাস ত্যাগ না করতে পারলে আপনার জীবন থেকে মা লক্ষী চলে যাবেন 

 লোভ

লোভ মানুষকে বিপথগামী করে তোলে। লোভের বশে মানুষ এমন অনেক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে যা তাকে পতনের দিকে নিয়ে যায়। লোভী মানুষ কখনোই মা লক্ষীর কৃপা দৃষ্টি লাভ করতে পারেন না।

 রাগ

আমাদের অনেকেই অল্পে রাগ মাথায় চড়ে যায়, আবার অনেকেই রাগ করেন না। খেয়াল করে দেখবেন যারা রাগ করেন না তাদের জীবনে সুখ অনেক বেশী স্থায়ী হয়। চাণক্য জানাচ্ছেন, রাগী মানুষকে মা লক্ষী কখনোই পছন্দ করেন না এবং শীঘ্র পরিত্যাগ করেন। সুতরাং মা লক্ষীর কৃপাদৃষ্টিতে থাকতে  এই তিন বদ অভ্যাস যত শীঘ্র সম্ভব ত্যাগ করুন।