বেজি কাণ্ডে মহা ফ্যাসাদে অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়!

বেজি কাণ্ডে মহা ফ্যাসাদে অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়!

বেজি কাণ্ডে ফের জিজ্ঞাসাবাদ শ্রাবন্তীকে। ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল সেলের দফতরে সোমবার দুপুর বারোটা নাগাদ উপস্থিত হন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় (Srabanti Chatterjee) । বেজি কাণ্ডে তাঁকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে উপস্থিত ছিলেন উচ্চপদস্থ আধিকারিক। শুটিংয়ের সময় যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, এর আগে ৮ মার্চ ও ৯ মার্চ  তাদের বয়ান রেকর্ড করা হয়।

সেই বয়ান খতিয়ে দেখে বেশ কিছু প্রশ্ন ওঠে আসে তদন্তকারীদের কাছে। সেই কারণে আজ ফের অভিনেত্রীকে তলব করা হয়েছিল। সোমবার ঘটনায় শ্রাবন্তীর বয়ান রেকর্ড করেছেন আধিকারিকরা। উল্লেখ্য, এর আগে ৯ মার্চ বেজি কাণ্ডে শ্রাবন্তীর গাড়ির চালককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। গাড়ির চালকের নাম ভরত হাতি। অভিযোগ, শুটিং স্পটে বেজিটিকে শিকল পরিয়ে নিয়ে এসেছিল ভরত হাতি।

তার বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের একটি ছবি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাইরাল হয়, নেট দুনিয়ায় জোর চর্চা চলে ছবিটি ঘিরে। যাতে দেখা যাচ্ছে শ্রাবন্তীর হাতে রয়েছে একটি ছোট বেজি। বেজিটির গলায় একটি ছোট বেল্ট পরানো এবং সেই বেল্ট একটি শিকলের সঙ্গে লাগানো।

ছবিটি ভাইরাল হতেই নিন্দার ঝড় ওঠে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কেন ওই বেজির গলায় শিকল পরিয়ে রাখা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। বিষয়টি নজরে আসে ওয়াইল্ড লাইভ ক্রাইম কন্ট্রোলেরও। দফতর থেকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল শ্রাবন্তীকে। শ্রাবন্তী যে বেজিটিকে নিয়ে ছবি তুলেছিলেন, সেই বেজিটিকেও ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগেও বেজি কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে। সেই সময় ওই বেজিটি কোথায় রয়েছে? ছবিটি কোথায় তোলা হয়েছে?

অভিনেত্রী নিজের বাড়িতেই ওই ছবি তুলেছেন নাকি অন্য কোথাও? তিনি কেনই বা বেজির সঙ্গে ছবি তুলেছিলেন… এমন বেশ কিছু প্রশ্নই পূর্বের জিজ্ঞাসাবাদের সময় করা হয়েছিল তাঁকে। জানা গিয়েছে ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রাবন্তীতে প্রথমবার ডেকে পাঠিয়েছিল ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল সেল। কিন্তু সেই সময় যেতে পারেননি শ্রাবন্তী। তৃতীয়বার নোটিস পাঠানোর পর তিনি হাজিরা দিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে জানা যায়, বারুইপুরের এক প্রোমোশনাল শুটিংয়ের সময় ওই বেজিটি নিয়ে ছবি তুলেছিলেন তিনি। কিন্তু বন্যপ্রাণ আইন অনুযায়ী, এইভাবে কোনও বন্যপ্রাণীকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা আইনত অপরাধ।