মুর্শিদাবাদে প্রজাতন্ত্র দিবসে আমন্ত্রণ পেলেন না অধীর রঞ্জন চৌধুরী

মুর্শিদাবাদে প্রজাতন্ত্র দিবসে আমন্ত্রণ পেলেন না অধীর রঞ্জন চৌধুরী

দিল্লির পাশাপাশি কলকাতার রাজপথেও প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন হয়েছে করোনা বিধি মেনেই। তবে সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একা শুভেন্দু নয়,মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসনের তরফেও আমন্ত্রণ পেলেন না কংগ্রেস দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। সেই কারণে ক্ষোভ উগরে দিলেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।

বুধবার মুর্শিদাবাদ ব্যারাক স্কোয়ার ময়দানে প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করা হয়। তবে আমন্ত্রণ পাননি অধীর। জেলা কংগ্রেসের মুখপাত্র বলেন, “সারা দেশে মহা সমারোহে এবং আনন্দের সঙ্গে ৭৩ তম প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করা হচ্ছে। প্রতিটি রাজ্যে, প্রতিটি গ্রামে ভারতবাসী এই প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করছেন। দিল্লির রাজপথে সমগ্র দেশের মানুষ এই পতাকা উত্তোলন দেখেছে।

আমরা মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের পক্ষ দিল্লির অনুষ্ঠানে যারা আমন্ত্রিত ছিলেন তাঁদের মধ্যে কংগ্রেস দলনেতা অধীর চৌধুরীর নাম রয়েছে। শুধু আমন্ত্রণই নয় প্রথম সারিতে তাঁর নামে নামাঙ্খিত চেয়ারও রয়েছে। এটাই আমাদের পরম্পরা। কিন্তু এই পরম্পরাকে ভেঙে অসৌজন্য কারী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জেলাশাসক তিনি অধীর চৌধুরীকে আমন্ত্রণ জানাননি।

এই প্রজাতন্ত্র দিবস কারোর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, বা ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানও হচ্ছে না। সরকারি অনুষ্ঠানে সাংসদরা আমন্ত্রণ পায় না তাই আমরা অবাক হলাম।” এই একই বিষয়ে আজ মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সাফ-সাফ জানান, “ক্যান্সারের ওষুধ বেরিয়েছে। কিন্তু হিংসার ওষুধ এখনও বেরোয়নি। যেহেতু আমার কাছে তিনি নন্দীগ্রামে হেরে বাড়ি গিয়েছেন এটা চিরদিন লেখা থাকবে।

হেরেছি হেরেছি হেরেছি.” প্রসঙ্গত, দিল্লির পাশাপাশি কলকাতার রাজপথেও প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন। অনুষ্ঠানে কোভিড বিধি নিয়ে কড়াকড়ি। নিউ মার্কেট, পার্কস্ট্রিট থেকে বড়বাজার - প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে থেকেই শহর জুড়ে চলেছে পুলিশের তল্লাশি। হোটেল, গেস্ট হাউজগুলিতেও কড়া নজরদারি পুলিশের। বিভিন্ন রাস্তায় চলছে নাকা চেকিং। মঙ্গলবার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। শহরের আনাচে-কানাচে চলছে নজরদারি। মূল অনুষ্ঠানের জায়গাতেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।