ব্লিচ করার  পর মুখে জ্বালা করলে স্বস্তি পান এই ঘরোয়া উপায়ে 

ব্লিচ করার  পর মুখে জ্বালা করলে স্বস্তি পান এই ঘরোয়া উপায়ে 

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে অনেকেই ব্লিচ ব্যবহার করেন। ব্লিচ করার ফলে মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর হয় এবং মুখের ত্বক উজ্জ্বল হয়। ব্লিচে কেমিক্যাল থাকে, তাই অনেক সময় ব্লিচ করার পরে মুখে জ্বালা, চুলকানি ও লালচে ভাবের মতো সমস্যা দেখা দেয়।কিন্তু কিছু ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তিও পাওয়া যায়। জেনে নিন সেগুলি কি … 


ব্লিচ করার পরে মুখের ত্বকের জ্বালা, চুলকানি কমাতে নারকেল তেল খুবই কার্যকর। এই তেলে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ বর্তমান। এটি খুব দ্রুত ত্বককে স্বস্তি দিতে পারে। তাই ব্লিচ করার পর জ্বালা, চুলকানি কমাতে নারকেল তেল লাগাতে পারেন। 

ব্লিচ করার পরে মুখের জ্বালাভাব কমাতে চন্দনের গুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন। চন্দন গুঁড়োর ফেস প্যাক প্রয়োগ করলে মুখের ত্বক ঠান্ডা হয়। ফেস প্যাকের জন্য, একটি বাটিতে এক চামচ চন্দন গুঁড়ো এবং গোলাপ জল মিশিয়ে মিহি পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি ১৫ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন। তারপর ঠান্ডা ফেস প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।  ব্লিচ করার পর চুলকানি, জ্বালা কমাতে এটি অ্যালোভেরা , ঠাণ্ডা দুধ খুবই কার্যকরি। 

ব্লিচ করার পরে প্রায়ই মুখ জ্বালা কমাতে বরফ ব্যভার করতে পারেন। এক টুকরো সুতির কাপড়ে দুই-তিনটে বরফ নিয়ে, এটি দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন। এতে মুখের জ্বালাভাব, চুলকানি এবং লালচেভাব অনেকটা কমবে।

ব্লিচ করার পর মুখ খুব জ্বালা করলে  ডাবের জল ব্যবহার করুন। ডাবের জলে  অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়, যা ত্বকের নানান সমস্যা দূর করতে খুবই সহায়ক। ত্বককে ঠান্ডা করার পাশাপাশি ডাবের জল মুখের জ্বালাভাব, চুলকানি এবং লালচেভাব কমাতে সহায়তা করে।