সীমান্তে অবস্থিত  হলেও শান্ত ভারতের এই জায়গাগুলি 

সীমান্তে অবস্থিত  হলেও শান্ত ভারতের এই জায়গাগুলি 

সীমান্ত এলাকা মানেই  প্রহরারত সেনা, বন্দুকের গর্জন, সন্দেহজনক অনুপ্রবেশকারী , মারদাঙ্গা এইসব ছবিই আমাদের সামনে ভেসে ওঠে।কিন্তু আমাদের দেশে এমন কিছু সীমান্ত  এলাকা আছে  যে জায়গাগুলি একেবারে শান্তশিষ্ট এবং মনোরম। আর আপনি চাইলে এই শান্ত নিরিবিলি যায়গা থেকে একবার ঘুরেও আসতে পারেন। জেনে নিন সেই জায়গাগুলি সম্পর্কে   ……… 

চিতকুল (হিমাচল প্রদেশ) : চিতকুল হিমাচল প্রদেশের কিন্নর জেলার তিব্বতের সীমান্তবর্তী  একটি গ্রাম। শীতকালে, জায়গাটি বেশিরভাগ বরফে আবৃত থাকে । প্রধানত হিমাচল প্রদেশের  কিন্নর আদিবাসীরা এই গ্রামে বসবাস করেন। এই  গ্রামে আছে প্রচুর আপেল বাগান, পাহাড়ি তুষার মৃত্তিকা এবং বসপা নদী।গ্রামটি আগাগোড়া শান্তিপূর্ণ। গ্রামের বাসিন্দারা বেশ অতিথি পরায়ন। গ্রামের লোকগাঁথাগুলি বেশ জনপ্রিয়। চিতকুলের  দর্শনীয় জিনিস হল স্লেট বা কাঠের তক্তার ছাদ, একটি বৌদ্ধ মন্দির এবং একটি ছোট টাওয়ার।চিতকুলের কাগুপা মন্দিরে রয়েছে শাক্যমুনি বুদ্ধের একটি অত্যন্ত মূল্যবান পুরাতন ছবি । 

টুরটুক ( লাদাখ): পাকিস্তানের গিলগিট-বালুচিস্তান সীমান্ত ঘেঁষা লাদাখের ছোট্টো শহর টুরটুক । ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর এই টুরটুক ভারতের মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত হয়।  লাদাখের এই গ্রামে সদাই শান্তি বিরাজ করে। গ্রামবাসীরা জীবনযাপন করেন খুব সরলসিধে নিয়মে। লাদাখের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেমন ভাষায় প্রকাশ করা যায় না, তেমনই তার ছোট্টো গাঁ টুরটুকের সৌন্দর্যও অবর্ণনীয়। 


আলিপুরদুয়ার (পশ্চিমবঙ্গ) : পশ্চিমবঙ্গ ভুটান সীমান্তে অবস্থিত আলিপুরদুয়ার । সীমান্তবর্তী জায়গা হলেও আলিপুরদুয়ার শান্ত নিরিবিলি জায়গা। আলিপুরদুয়ারের একটা বড় অংশই হল ডুয়ার্স।আলিপুরদুয়ার ডুয়ার্সের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য অসাধারণ। আলিপুরদুয়ার থেকে ভুটানে যেতে গেলে বিশেষ কোনও অনুমতি লাগে না। সঙ্গে ভারতীয় পরিচয়পত্র থাকলেই হয়।


মোরে (মণিপুর) : ভারত-মায়ানমার সীমান্ত অবস্থিত মণিপুরের মোরে গ্রাম।মায়ানমারের তামু শহর থেকে মোরে গ্রামের দূরত্ব মাত্র ৫ কিলোমিটার।  শান্তশিষ্ট মোরে গ্রামে রয়েছে একাধিক কমার্শিয়াল হাব। অপূর্ব সুন্দর এই গ্রামে যে কোনও ভ্রমণপ্রেমীর একবার অন্তত ঘুরে আসা উচিত।  প্রাকৃতিক সৌন্দর্য  উপভোগ করতে গেলে এই গ্রাম থেকে ঘুরে আসতে পারেন।এখানকার অধিবাসীদের জীবনযাত্রা বেশ আকর্ষণীয়।