বর্ধমানে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ গ্রেফতার ২

বর্ধমানে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ গ্রেফতার ২

কদিকে যখন মা দুর্গাকে বোধনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে রাজ্যবাসী, অন্যদিকে তখন ঘরের উমার উপর চলল নৃশংস অত্যাচার। বর্ধমানের (Bardhaman) রাস্তায় এক মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে দু'জনকে। অভিযোগ, রাস্তা থেকে এক মহিলাকে টোটো করে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এমনকী যৌন নির্যাতনের পর রাস্তাতে ফেলে রেখে চলে যাওয়া হয় বলেও জানা গিয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই নির্যাতিতাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গণধর্ষণের মামলা রুজু করে বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার গভীর রাতে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পূর্ব বর্ধমান সদর) কল্যাণ সিংহ রায় বলেন, 'অভিযোগকারিনী থাকেন গলসি থানা এলাকায়। তাঁর স্বামীর খোঁজে তিনি বর্ধমান শহরের পারাপুকুর এলাকায় যান। কিন্তু, স্বামীর খোঁজ না পেয়ে বর্ধমান স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় বসেছিলেন।

সেই সময়ই একটি টোটোতে করে কয়েকজন ছেলে এসে তাঁকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ।' পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জোর করে মহিলাকে তুলে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। গোটা ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। BJP-র বর্ধমান দক্ষিণের কনভেনার কল্লোল নন্দনের অভিযোগ, শহরে পুলিশ -প্রশাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। মহিলাদের নিরাপত্তা নেই।

পুলিশের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানাচ্ছি।' পালটা তৃনমুলের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস BJP-র অভিযোগকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে তকমা দিয়েছেন। তিনি বলেন, 'খুবই দুঃখজনক ঘটনা। পুলিশ দোষীদের গ্রেফতার করেছে। তদন্ত করে বাকী দোষীদেরও গ্রেফতার করা হোক।'সম্প্রতি, পেটের দায়ে মন্তেশ্বরে কাজ করতে এসে গণধর্ষণের শিকার হলেন এক আদিবাসী গৃহবধূ।

স্বামী বাঁচাতে গেলে তিনিও প্রহৃত হন। এমনই অভিযোগ উঠেছে মন্তেশ্বরের পূর্ণিয়া গ্রামে। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ওই নির্যাতিতা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক মাস আগে মন্তেশ্বরের পূর্ণিয়া গ্রামে কাজ করতে এসেছিলেন নাদোমঘাট এলাকার এই আদিবাসী দম্পতি। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় রাইগ্রাম বাজারে স্বামীর সঙ্গে বাজার করতে যান তিনি। বাজারে দেরি হওয়ায় স্বামী ঘরে ফিরে আসেন। এরপর ওই মহিলা একাকী ফেরার সময়ই কয়েকজন তাঁকে মুখ চাপা দিয়ে রাস্তা থেকে তুলে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।

[ আরও পড়ুন ]