ইসরাইলি ড্রোন ব্যবহার করে যুদ্ধে আর্মেনিয়ার ওপর ভালো চাপ সৃষ্টি করছে আজারবাইজান

ইসরাইলি ড্রোন ব্যবহার করে যুদ্ধে আর্মেনিয়ার ওপর ভালো চাপ সৃষ্টি করছে আজারবাইজান

আজবাংলা     ইসরাইলি ড্রোন ব্যবহার করে যুদ্ধে আর্মেনিয়ার ওপর ভালো চাপ সৃষ্টি করে রেখেছে আজারবাইজান। গত ৪ বছর ধরেই ইসরাইল থেকে ব্যাপক অস্ত্রশস্ত্র কিনছে আজারবাইজান। এরমধ্যে ইসরাইলের তৈরি হার্পি, হ্যারোপ এবং অরবিটার ড্রোন সবথেকে বেশি কিনেছে আজারবাইজান।

ইসরাইলি ড্রোন আজারবাইজান এতটাই বেশি পছন্দ করে যে তাদের সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সামরিক ভিডিওতেও ড্রোনগুলো রাখা হয়। ইসরাইলি এরোস্পেস ইন্ডারস্ট্রি হার্পি ও হ্যারোপ ড্রোন দুটি তৈরি করেছে একসঙ্গে কাজ করার জন্য। আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে আজারবাইজানের হামলায় নেতৃত্ব দিচ্ছে এই ড্রোন দুটি।

এছাড়া, ইসরাইলের স্কাইস্ট্রাইকারও ব্যবহার করছে আজারবাইজান। দেশটির পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় গ্রুপগুলোতে ইসরাইলি ড্রোনের ক্ষমতার ব্যাপক প্রচার চলছে।কীভাবে এসব ড্রোন দিয়ে আর্মেনিয়ার ট্যাংক ধ্বংস করা হচ্ছে তার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ড্রোন প্রযুক্তিতে সবথেকে এগিয়ে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।

তবে আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরাইলি ড্রোনের সক্ষমতাও ছিল চোখে পরার মতো।এদিকে, ড্রোনের পাশাপাশি ইসরাইলের ক্লাস্টার বোমাও ব্যবহার করছে আজারবাইজান। মিডল ইস্ট আই-এর খবরে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, নাগোর্নো-কারাবাখে ইসরাইলে তৈরি ক্লাস্টার বোমা হামলা চালানো হচ্ছে।

হামলার বিভিন্ন ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মানবাধিকার সংস্থাটি জানিয়েছে, ইসরাইলে তৈরি এমজিরোনাইন্টিফাইভ ডিপিআইসিএম মডেলের বোমা ব্যবহার করছে আজারবাইজান। এগুলো নাগোর্নো-কারাবাখের আবাসিক এলাকাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে।

এই ধরণের বোমা সব একইসঙ্গে বিস্ফোরিত হয়না। কিছু কিছু অবিস্ফোরিত অবস্থায় রয়ে যায়। ফলে যুদ্ধ পরবর্তি সময়েও এগুলো বিস্ফোরিত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। এ ধরণের বোমা ব্যবহার ও বিক্রি নিষিদ্ধ করে ১০০টিরও বেশি দেশ চুক্তি স্বাক্ষরিত করেছে। তবে এরমধ্যে ইসরাইল ও আজারবাইজান নেই।