হিংসা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত বিধানসভা বয়কট বিজেপি বিধায়কদের

হিংসা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত বিধানসভা বয়কট বিজেপি বিধায়কদের

নির্বাচন পর্ব মিটতেই রাজ্যে একের পর এক হামলা ও হিংসার ঘটনা ঘটেছে। এই অবস্থায় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে বৃহস্পতিবারই এসেছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। জানা গিয়েছে, রাজ্যে এসেই নবান্নে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক সম্পন্ন করেছে তারা। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার বিধানসভায় এসেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেখানে তিনি বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী কিংবা মুকুল রায় উপস্থিত না থাকলেও ঠিক হয়, আগামিকাল স্পিকার নির্বাচনে দলের কোনও বিধায়কই অংশ নেবেন না।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতারা জানান, ২১ জন আমাদের মারা গিয়েছে। হিংসা চলছে আর সরকার বলছে থেমে গিয়েছে। সেটা ঠিক নয়। মেদিনীপুরে আমাদের তিনজন কর্মীকে কোপানো হয়েছে। একজন মারা গেছেন। মেদিনীপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ওপর হামলা করা হয়েছে। যদিও বিজেপি-র এই অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল শিবির। ফিরহাদ হাকিম বলেন, 'এর থেকে অনেক বেশি সন্ত্রাস বিজেপি শাসিত রাজ্য গুলিতে হয়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শপথ নিয়েই দলমত নির্বিশেষে কড়া হাতে হিংসা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরাও পুলিশকে অশান্তি বন্ধে সবরকম ব্যবস্থা নিতে বলেছি। এসব অভিযোগ তুলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করার তো কোনও মানে হয় না।' এর আগে মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথের অনুষ্ঠানে ডাক পেয়েও যাননি দিলীপরা। বিজেপি-র পরিষদীয় দলনেতা মনোজ টিগ্গার সঙ্গে দিলীপকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

তবে তিনি সেই অনুষ্ঠান বয়কট করেন। রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রতিবাদেই মমতার শপথে যাননি বলে জানিয়েছেন দিলীপবাবু। বৃহস্পতি ও শুক্রবার বিধায়সভায় শপথ নিয়েছেন নবনির্বাচিত বিধায়করা। বিজেপি-র সিংহভাগ বিধায়কই শপথ নিয়ে নিয়েছেন। বাকি রয়েছেন হিংসা কবলিত এলাকার বিধায়করা। এলাকায় শান্তি ফিরলেই তাঁরা শপথ নেবেন বলে জানা যাচ্ছে বিজেপি সূত্রে।