মণীশ শুক্লার মৃতদেহ নিয়ে শহরের রাজপথে বিজেপি ,পথেই আটকাল পুলিশ, ব্যাপক বিক্ষোভ

মণীশ শুক্লার মৃতদেহ নিয়ে শহরের রাজপথে বিজেপি ,পথেই আটকাল পুলিশ, ব্যাপক বিক্ষোভ

আজবাংলা     নিহত বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লার দেহ ময়নাতদন্তের পর সোমবার সন্ধেয় নিয়ে যাওয়া হয় রাজভবনের দিকে। মাঝপথেই নিউ মার্কেটের সামনে তাদের আটকায় বিশাল পুলিশবাহিনী। শুরু হয় উত্তেজনা। চলে তর্কাতর্কি। ১৪৪ ধারা জারি থাকায় পুলিশ যেতে অনুমতি দেয়নি।

এই গোলমালে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এসএন ব্যানার্জি রোড। আটকে যায়া ধর্মতলার যানবাহন। বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, তাঁরা সিবিআই তদন্তের দাবিতে রাজভবনে যেতে চান। রাজ্যপালের সঙ্গেও কথা হয় অর্জুনের। পরে মণীশের বাবা সহ চারজনকে রাজভবনে যাওয়ার অনুমতি দেয় পুলিশ। ভিতরে যান অর্জুন সিং, লকেট চট্টোপাধ্যায়, সব্যসাচী দত্ত।

তার আগে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ নিয়ে যাওয়া হয় এনআরএসে। সেখানে হাসপাতালের সামনে জড়ো হওয়া বিজেপির কর্মী সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখান। ময়নাতদন্তে দেরির অভিযোগ তোলেন তাঁরা। সেখানে ছিলেন বিজেপির নেতারাও। জানা গিয়েছে, মণীশের দেহে সাতটি বুলেট রয়েছে। তার মাথায় ছিল তিনটি গুলি।

দুই নম্বর বুলেটটি মাঝখানে আটকে আছে, যার জেরেই মৃত্যু হয়েছে। দেহে অন্য আঘাতের চিহ্ন বিশেষ নেই। বহু গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে। অন্যদিকে, রাজ্য সরকার এই ঘটনার সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। এদিনই সিআইডির গোয়েন্দারা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। বিজেপির দাবি, সিবিআই তদন্ত করাতে হবে।

এই দাবি নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গেও দেখা করেন বিজেপির নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়।রাতের জমজমাট ব্যারাকপুর ট্রাঙ্ক রোড। হাতের নাগালে টিটাগড় থানা। আর ঠিক সেখানেই বাইকে চড়ে হানা দিল দুষ্কৃতীরা। দাপুটে বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লাকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে গা ঢাকা দিল চারজন।

সকলের চোখের সামনেই লুটিয়ে পড়লেন মনীশ শুক্লা।ভরসন্ধেয় এলোপাথাড়ি বুলেট ঝাঁঝড়া করে দিল শরীর। জমজমাট রাস্তায় কয়েকশো মানুষের সামনেই খুন হয়ে গেলেন ব্যারাকপুর-টিটাগড়ের দাপুটে বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা।তড়িঘড়ি মনীশকে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু, শেষরক্ষা হয়নি। চিকিত্সার আগেই মারা যান মণীশ।

রাতেই হাসপাতালে পৌছন অর্জুন সিং,সৌমিত্র খাঁ, ভারতী ঘোষরা। অর্জুন সিংয়ের দাবি, খুনের নেপথ্যে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।পাল্টা বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের দিকে আঙুল তুলছে তৃণমূল। কারা খুন করল দাপুটে এই নেতাকে? নেপথ্য ঠিক কী? ইতিমধ্যেই তদন্ত ভার নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে CID।