বাবুল সুপ্রিয় মুসলিম বিদ্বেষী , দাবি কবীর সুমনের

বাবুল সুপ্রিয় মুসলিম বিদ্বেষী , দাবি  কবীর সুমনের

  সকলকে চমকে দিয়ে কোনওরকম আভাস ইঙ্গিত ছাড়াই সটান তৃণমূলে (TMC) যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo)। একসময়ের প্রতিপক্ষের এই দলবদলে তৃণমূল সমর্থকরা অনেকেই খুশি হতে পারেননি। এবার তা নিয়ে মুখ খুলেছেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ও তৃণমূলের ঘোষিত সমর্থক কবীর সুমন।

রবিবার বাবুলের বিরুদ্ধে নিজের ক্ষোভ উগরে কবীর সুমন ফেসবুকে লিখেছেন, যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে তিনি একসময় অনেক ঠাট্টা বিদ্রুপ করেছেন সেই দলনেত্রীকে নিয়ে তিনি এখন কী ভাবছেন তা তাঁর জানতে ইচ্ছে করে। বাবুল সুপ্রিয়কে এদিন মুসলিম বিদ্বেষী, এনআরসি পন্থী, বাংলা ও বাঙালি বিদ্বেষী বলেও কটাক্ষ করেছেন বর্ষীয়ান সঙ্গীতশিল্পী।

রবিবার ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের অস্থায়ী দফতরে বাবুলকে নিয়ে এ ভাবে মঞ্চ সাজানোর আগেই অবশ্য বোমা ফাটিয়ে দিয়েছেন কবীর সুমন। সঙ্গীতশিল্পীর পাশাপাশি, রাজনৈতিক পরিচয়ে তিনি যাদবপুর কেন্দ্রের প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদও বটে। বাবুলের সঙ্গে তাঁর সঙ্ঘাতের ইতিহাস তুলে ধরে সুমন ফেসবুকে তোপ দাগেন। স্বাভাবিক ভাবেই রবিবার বাবুলের সাংবাদিক বৈঠকেও ওঠে সুমনের প্রসঙ্গ।

সেই প্রশ্ন অবশ্য মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে সাংবাদিকের উদ্দেশে বাবুল বলেন, ''আমি তোমাকে থামাচ্ছি। একটা সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতে নেতিবাচক প্রশ্ন আসাটা ঠিক নয়। কিন্তু চেষ্টা করো একটা ইতিবাচক প্রশ্ন দিয়ে শুরু করতে।'' ওই প্রসঙ্গে বাবুল আরও বলেন, ''প্রথমত কবীর সুমন যা মন্তব্য করেছেন তার দায় তাঁর। আমি এ সম্বন্ধে কোনও মন্তব্য করব না।

ফেসবুক একটা পাবলিক প্ল্যাটফর্ম। উনি যা খুশি কিছু লিখতে পারেন। ফেসবুক, টুইটার আমার মোবাইলে নেই। কাজেই কী লিখছেন, কেন লিখছেন আমি সেটা পড়বও না এবং জবাবও দেব না। আমার মনে হয়, আগামী কয়েক দিন আমার মনের মূল সুরটা ইতিবাচক থাকলে সকলের ভাল হবে। আমার মনে হয়, কখনও কোনও সাংবাদিক বৈঠক নেতিবাচক প্রশ্ন দিয়ে শুরু করলে তাল কেটে যায়।''