দেখে নিন আপনার কোমরে ব্যাথার কারন ও প্রতিকার

দেখে নিন আপনার কোমরে ব্যাথার কারন ও প্রতিকার

আজবাংলা  কোমরের ব্যথা কমবেশি সব মানুষের হয়। এই ব্যথা যুবক থেকে বৃদ্ধ সব বয়সেই হতে পারে। গবেষণায় বলা হয়, বিশ্বের ৭০ থেকে ৮০ ভাগ প্রাপ্তবয়স্ক লোক জীবনে কখনও না কখনও এ ব্যথায় আক্রান্ত হয়। শুরু থেকে কোমরের ব্যথা নির্মূল করতে না পারলে রোগীকে ভবিষ্যতে বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

লকডাউন শুরু হওয়া থেকেই বাড়িতে বসে অনেককে অফিসের কাজ সারতে হচ্ছে, বাচ্চাদের স্কুলের পড়াও চলছে পুরোদমে। এই এতক্ষণ টানা বাড়িতে বসে কাজ করার অভ্যেস আমাদের অনেকেরই নেই, ফলে দিনের শেষে যখন নিজের দুনিয়ায় ফিরছি, তখন বেজায় ব্যথা হচ্ছে কোমরে।

কিন্তু বেশ কিছুদিন চেয়ারে বসে কাজ করার পর যাঁরা কোমরে ব্যথার কমপ্লেন করছেন, তাঁদের একটাই পরামর্শ দেওয়ার আছে -- প্লিজ আপনার পশ্চার ঠিক করুন আগে। যে কোনও চেয়ারে বসে কাজ করার সময়েই পিঠ একেবারে সোজা রাখতে হবে। বাড়িতে বসে যখন কাজ করছেন, তখন সম্ভবত সেটা হচ্ছে না।

আপনি কুঁজো হয়ে যাচ্ছেন, বা হয়তো বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে কাজ করছেন -- এগুলিই আপনার পিঠ ও কোমরের ব্যথার কারণ।" টানা বসে থাকাটা এমনিই আমাদের পিঠ, কোমর, শরীরের নিচের দিকের জন্য খারাপ। তাই টানা ঘণ্টাখানেক কাজ করার পর মিনিট দশেক ব্রেক নিয়ে একটু হাঁটাচলা করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

পিঠ বেঁকিয়ে বা কোলে বালিশ নিয়ে বসে কাজ করা চলবে না একেবারেই।মনে রাখবেন, কোমরে খুব ব্যথা হলে কিন্তু চটজলদি কোনও ব্যায়াম করে সেটা কমানোর চেষ্টা করে কোনও লাভ হবে না। পরিপূর্ণ বিশ্রামে থাকুন। ঠান্ডা সেঁক দিন প্রথমে, ইনফ্ল্যামেশন একটু কমলে ঠান্ডা-গরম সেঁক দিতে পারেন।

ব্যথা একেবারে কমে গেলে তারপর না হয় আপনার ব্যায়ামের রুটিনে ফিরবেন। কিন্তু যাই করুন না কেন, পিঠ সোজা করে বসার অভ্যেসটা তৈরি করতেই হবে।আর একটা জরুরি কথা, বাড়িতে বসে কম-বেশি সবাই একটু বেশি খাওয়াদাওয়া করছেন, সেই তুলনায় হাঁটাচলা হচ্ছে না।

ওজন বাড়তে আরম্ভ করলে কিন্তু কোমরই শুধু না, শরীরের অন্যত্রও ব্যথা আরম্ভ হবে।  হাঁড়ের পুষ্টির জন্য খাবার খান। নিয়মিত ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার খান। যেমন, শাকসবজি, দুধ, ডিম, ওটমিল, সামুদ্রিক মাছ, কড লিভার অয়েল ইত্যাদি।