পূর্ব বর্ধমানে ডাকাতি করার আগেই পুলিশের জালে ধরা পড়ল চার দুষ্কৃতী

পূর্ব বর্ধমানে ডাকাতি করার আগেই পুলিশের জালে ধরা পড়ল চার দুষ্কৃতী

বর্ধমান: ডাকাতি করার আগেই পুলিশের জালে ধরা পড়ল চার দুষ্কৃতী। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযানে নামে পুলিশ। রাস্তার ধার থেকে ডাকাতির পরিকল্পনার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ডাকাতির বেশ কিছু সরঞ্জামও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার থাপার পুলিশের এই সাফল্যে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন এলাকার বাসিন্দারা।ভাতার থানার পুলিশ শনিবার রাত্রে গোপন সূত্রে খবর পায় ভাতারের নতুন গ্রামের কাছে একদল ডাকাত জড়ো হয়েছে। ডাকাতি করার উদ্দেশ্য রয়েছে তাদের। সেই খবর পেয়ে তড়িঘড়ি পুলিশ সেই জায়গায় হানা হানা দেয়।

পুলিশের অভিযানে চারজন ধরা পড়ে।তবে বাকিরা পালিয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের কাছ থেকে বেশ কিছু রশা দড়ি, লাঠি, রড উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম হারাধন রায়, চাঁদ কুমার মাঝি, হারাধন মাঝি বয়স ও অমিত মন্ডল। অমিতের বাড়ি কামারপাড়ায়। বাকি তিনজন নারায়নপুরের বাসিন্দা।

তাদের বয়স চল্লিশ থেকে পঞ্চান্ন বছরের মধ্যে। ভাতার থানার পুলিশ জানিয়েছে, তারা কোথায় ডাকাতি করতে যাচ্ছিল তা জানার চেষ্টা চলছে। এই চক্রে আর কে কে জড়িত রয়েছে, এর আগে তারা কোন কোন অপরাধ মূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল তা বিস্তারিতভাবে জানতে ধৃতদের দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

বাসিন্দারা বলছেন, চুরি ডাকাতি ছিনতাইয়ের ঘটনা এলাকায় মাঝে মধ্যেই ঘটে থাকে। অতীতে রাস্তায় গাড়ি, ট্রাক দাঁড় করিয়েও একের পর এক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ধৃতদের হয়তো সেরকমই কিছু উদ্দেশ্য ছিল। তাঁরা বলছেন, করোনা পরিস্থিতির কারনে অনেকের হাতেই কাজ নেই, উপার্জন নেই।

তাই এই সময় চুরি ছিনতাই, ডাকাতির ঘটনা বাড়বে বলেই আশংকা করা হচ্ছে। পুলিশ তৎপর হওয়ায় এ যাত্রায় তেমন ঘটনা এড়ানো গেল। তবে আগামী দিনেও পুলিশকে একইভাবে তৎপর ও সতর্ক থাকতে হবে বলে মত প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা।