জেনে নিন স্বাস্থ্যের বিকাশে পেঁয়াজ পাতার ভূমিকা

জেনে নিন স্বাস্থ্যের বিকাশে পেঁয়াজ পাতার ভূমিকা

আজবাংলা  পুষ্টিগুণের কারণে পেঁয়াজের পাতাকে সবথেকে উপরে রাখা যেতে পারে। বাজারে গেলে এখন চোখে পড়বে পাতাযুক্ত কচি পেঁয়াজ। পেঁয়াজের গুণের কথা তো সবাই জানেন। পেঁয়াজের আছে বিশেষ পাঁচ গুণ। পেঁয়াজের পাশাপাশি এর পাতারও  রয়েছে গুণের।

পেঁয়াজপাতায় ভিটামিন ‘এ’ বেশি থাকে। তা ছাড়া পেঁয়াজের পাতা ও ডাঁটা ভিটামিন ‘সি’ ও ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ। খাবার দ্রুত হজমকারক ও রুচিবর্ধক হিসেবেও এর জুড়ি নেই। আজকের প্রতিবেদনে দেখে নেব এর কি কি স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।

স্বাস্থ্য উপকারিতা- ১. পেঁয়াজ পাতার খনিজ উপাদান সালফার ছত্রাকের বৃদ্ধিকে প্রতিহত করে এবং ভিটামিন  কে রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে। ২. লুটেইন ও জেনান্থিন নামক ক্যারোটিনয়েড এর উপস্থিতির জন্য পেঁয়াজ পাতা চোখের প্রতিরক্ষায় প্রভাব বিস্তার করে। চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় এবং স্বাভাবিক দৃষ্টির রক্ষণাবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ভিটামিন এ যা স্প্রিং অনিওন এর সবুজ অংশে থাকে।

৩. পেঁয়াজ পাতার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিকেলের কাজে বাধা প্রদান করে কোষ কলার এবং ডিএনএ এর ক্ষতি রোধ করতে পারে। ৪. সবুজ পেঁয়াজ গ্যাস্ট্রো ইন্টেস্টাইনাল সমস্যা প্রশমনে উপকারী ভূমিকা রাখে। অধিকন্তু রুচি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ও পেঁয়াজ পাতার উচ্চ মাত্রার ফাইবার হজম সহায়ক।

৫. অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকায় পেঁয়াজ পাতা সাধারণ ঠান্ডা, ফ্লু ও ভাইরাল ইনফেকশনের ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ৬. পেঁয়াজ পাতার ভিটামিন সি কোলেস্টেরল ও রক্ত চাপের উচ্চ মাত্রাকে কমাতে সাহায্য করে যা হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়।

৭. পেঁয়াজ পাতায় উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি ও ভিটামিন কে থাকে যা হাড়ের স্বাভাবিক কার্যাবলির জন্য প্রয়োজনীয়। ৮. সবুজ পেঁয়াজের সালফার যাতে অ্যালাইল সালফাইড থাকে তা কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। সবুজ পেঁয়াজে ক্যানসার বিরোধী উপাদান ফ্লেভনয়েড থাকে।

৯. পেঁয়াজ পাতায় অ্যান্টি ইনফ্ল‍্যামেটরি ও অ্যান্টি হিস্টামিন উপাদান থাকে যা আরথ্রাইটিস ও অ্যাজমার চিকিৎসায় ভালো ফল দেয়, বিপাকে সহায়তা করে, চোখের অসুখের জন্য ভালো, ত্বকের কুঞ্চন প্রতিরোধ করে ও রক্তের সুগারের মাত্রা কমায়।