একেবারে জিরো সাইজের আশায় কিটো ডায়েট করছেন! ডেকে আনছেন না তো বড় বিপদ?

একেবারে জিরো সাইজের আশায় কিটো ডায়েট করছেন! ডেকে আনছেন না তো বড় বিপদ?

আজ বাংলা: সামনেই দুর্গাপুজো। এই সময় শরীর চর্চায় মেতে উঠেছেন। ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছেন ডায়েট করা। কিটো ডায়েট....ডায়েট প্রেমীদের কাছে এটা অত্যন্ত পরিচিত নাম।

যদিও বর্তমানের এই ফাস্ট লাইফে মানুষের কাছে সময় কম। বেহিসেবি দিনযাপন। খাওয়া, ঘুমের সময়ের কোনও ঠিক নেই। তার উপর আবার ইচ্ছা হলেই বাইরের খাবারেই চলছে রসনাতৃপ্তি। তার ফলে শরীরে বাড়ছে মেদ। এই মেদ থেকে রেহাই পেতে অনেকেই শুরু করেছেন ডায়েট। 


তবে কোনোদিন ভেবে দেখেছেন যে কিটো ডায়েট করলে আপনার শেষ পরিণতি মৃত্যু হবে না তো? তাই উপকারিতা এবং অপকারিতা জেনে তবেই কিটো ডায়েট করুন। নইলে সর্বনাশ হতে বেশি সময় লাগবে না।

তারকাদের বিশেষত এই ডায়েট অত্যন্ত পছন্দের। কারণ মাত্র দশ দিনে মেদ কমে গিয়েছে এমন উদাহরণও রয়েছে। তাহলে আসুন জেনে নিন কোনটা খাবেন আর কোনটা খাবেন না।

ইচ্ছা হলে মাছ, মাংস, ডিম খেতেই পারেন। আবার তেমনই পালং, মেথি শাকও খেতে পারেন। ব্রকোলি, লেটুসও এই ডায়েট করলে খাওয়া যেতে পারে। ফুলকপি, স্যালাড, মাখন, আখরোট, চিজ, নারকেল তেলও চাইলে খেতে পারেন।


তবে কিটো ডায়েট করলে ডায়েট করলে আলু আপনার নিত্যদিনের খাদ্যতালিকা থেকে বাদ। গম, ভুট্টা, ডালিয়া, চা, চিনি খেতে পারবেন না। এছাড়া ফলের মধ্যে কলা, আপেল, কমলালেবু একেবারেই বারণ।

এই ডায়েট প্রক্রিয়ায় শরীর ৭০ শতাংশ ফ্যাট গ্রহণ করে। অন্যদিকে প্রোটিন থাকে ২৫ শতাংশ, কার্বোহাইড্রেট ৫ শতাংশ। ট্রাইগ্লিসারাইড এবং কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে এই ডায়েটের পরামর্শ দেওয়া হয়।

 লো-ফ্যাট ডায়েটের তুলনায় এই ডায়েটে বেশি ওজন কমানো যায়। আর এই ডায়েট শুরু করার কিছুদিনের মধ্যে খিদে কমে যায়।