সপ্তমুখী রুদ্রাক্ষের গুনাগুণ

সপ্তমুখী রুদ্রাক্ষের গুনাগুণ

হিন্দু ধর্মে রুদ্রাক্ষ অত্যন্ত মাহাত্ম্যপূর্ণ। আমাদের দেশে প্রাচীন কাল থেকেই রুদ্রাক্ষ ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়ে আসছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে রুদ্রাক্ষের এমন কিছু গুণাবলী আছে, যার ফলে অনেক কঠিন অসুখ সেরে যেতে পারে। রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে তার পজিটিভ প্রভাব আমাদের শরীর ও মনের উপর পড়ে। 

 হিন্দু বিশ্বাস অনুসারে মহাদেবের চোখের জল থেকে রুদ্রাক্ষের উত্‍পত্তি। রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে ব্যক্তির জীবন পজিটিভ এনার্জিতে ভরে ওঠে। যিনি রুদ্রাক্ষ ধারণ করেন তিনি জীবনের সব সমস্যা ও ভয় থেকে মুক্তি পেয়ে যান। যিনি রুদ্রাক্ষ ধারণ করেন, তাঁর উপর সব সময় মহাদেবের আশীর্বাদ থাকে বলে মনে করা হয়। তিনি সব কাজেই সাফল্য লাভ করেন।

সপ্তমুখী রুদ্রাক্ষ সাক্ষাৎ কামরূপ। এটি রোগ নিবারক ও সমৃদ্ধিশালী। এটি দুর্গার প্রভাবে পুর্ণ। তাই অগ্নি, তেজ, জ্ঞান, বল আর রক্ষা কার্যে এই রুদ্রাক্ষ দারুন কাজ দেয়। এটি পাওয়া যায় খুব কম। আর যদি পাওয়া যায় তাহলে বিধিসম্মতভাবে পালন করে শুদ্ধি করতে হবে। এর গুণ অনেক। সকল প্রকার অসুবিধা দূর করে। এই রুদ্রাক্ষধারণকারী ব্যক্তি যাত্রাকালে কোনও অসুবিধা পাবে না।

পথেঘাটে এর কোনও অসুবিধা আসবে না। ধারণকারীকে কেউ যদি সন্মান করে থাকে তারও যে কোনও অসুবিধার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার সম্ভবনা থাকে। এই রুদ্রাক্ষ মণিবন্ধনে ধারন করলে সুফল লাভ হবে। এটি মস্তকে ধারন করলে এক কোটি গুণ, কর্নে ধারন করলে দশ কোটি গুন, গলদেশে ধারন করলে শত কোটি গুন ফল আর হাতে ধারন করলে হাজার কোটি গুন ফল লাভ করা যায়।

এই সপ্তমুখী রুদ্রাক্ষ মন্ত্র পাঠ করে ধারন করলে সবচেয়ে বেশী ফল পাওয়া যায়। সাতমুখী রুদ্রাক্ষের মালা সাত মায়ের সমন্বয়। সুর্যদেব ও সপ্ত ঋষির প্রভাব এতে বর্তমান। এই রুদ্রাক্ষ ধারন করলে মা লক্ষ্মী প্রসন্ন হয়ে ধন সম্পত্তির অধিকারী করে তোলেন। পবিত্র ও শুদ্ধমনে মন্ত্র পাঠ করে করে এই রুদ্রাক্ষ ধারন করলে সে ব্যক্তি জ্ঞানি, বুদ্ধিমান, স্থির মস্তিষ্কের হয়ে থাকে। সপ্তমুখী রুদ্রাক্ষের মন্ত্র — ওঁ হুং নমঃ।

আরো পড়ুন      জীবনী  মন্দির দর্শন  ইতিহাস  ধর্ম  জেলা শহর   শেয়ার বাজার  কালীপূজা  যোগ ব্যায়াম  আজকের রাশিফল  পুজা পাঠ  দুর্গাপুজো ব্রত কথা   মিউচুয়াল ফান্ড  বিনিয়োগ  জ্যোতিষশাস্ত্র  টোটকা  লক্ষ্মী পূজা  ভ্রমণ  বার্ষিক রাশিফল  মাসিক রাশিফল  সাপ্তাহিক রাশিফল  আজ বিশেষ  রান্নাঘর  প্রাপ্তবয়স্ক  বাংলা পঞ্জিকা