স্বাস্থ্যের সুরক্ষার কারণে মাস্ক পড়ে যোগা নয়

স্বাস্থ্যের সুরক্ষার কারণে মাস্ক পড়ে যোগা নয়

আজবাংলা  এখন বাইরে বেরোলেই আর কিছু করতে হোক কি না হোক, মাস্ক পরতেই হবে। আজ প্রায় ৭ বেশি সময় হতে চলল এখন করোনা কমার কোন সম্ভবনা নেই। এখন দৈনন্দিন জীবনে এক অপরিহার্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে মাস্ক।

নিত্য প্রতিদিন রঙবেরঙের রঙিন ও স্টাইলিশ মাস্ক বাজারে মিলছে। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে এক বিপদজনক তথ্য। এই কিছুদিন আগেই জগ করতে করতে একজন আচমকাই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এক ব্যক্তি। প্রচণ্ড বুকে ব্যথা হচ্ছিল তাঁর।

হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে জানা যায় মুখে মাস্ক থাকা অবস্থায় শারীরিক পরিশ্রমের ধকল নিতে পারেনি ওই ব্যক্তির ফুসফুস। আসলে সংক্রমণ রুখতে মাস্ক যত কার্যকরই হোক, অন্তত ব্যায়াম বা অন্য কোনও শারীরিক কসরত করার সময় তা থেকে দূরে থাকতেই হবে।

নিজের নিরাপত্তার জন্যই জগিং বা ব্যায়ামের সময় কখনও মাস্ক পরবেন না। যদি নিজের বাড়িতেই ব্যায়াম করেন, মাস্ক পরার এমনিতেই প্রয়োজন নেই। আর লকডাউন উঠে যাওয়ার পর যদি পার্কে যান, তা হলে খেয়াল রাখবেন যেন আপনার থেকে বাকি ব্যক্তিদের দূরত্ব অন্তত ছ' ফুট হয়। এই দূর‍ত্ব বজায় রেখে দৌড়োলে বা ব্যায়াম করলে ইনফেকশন ছড়ানোর ভয় নেই।

কখন মাস্ক পরতেই হবে  আপনার হাঁপানি বা হার্টের সমস্যা থাকলে কিন্তু একেবারেই মাস্ক পরে ব্যায়াম করা চলবে না। এমনিতে যাঁরা সুস্থ, তাঁরাও মাস্ক পরে কোনওরকম ভারী এক্সারসাইজ করা থেকে বিরত থাকুন। জোর করে ব্যায়াম চালিয়ে যাবেন না, একটু ক্লান্ত লাগলেই থামিয়ে দিন।



ব্যায়ামের সময় কেন মাস্ক পরবেন না   মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় ব্যায়াম করার মধ্যে অনেক ঝুঁকি রয়েছে। ব্যায়াম, বা যে কোনও শারীরিক কসরত করার সময় আমরা ফুসফুসে বাতাস বেশি টানি, ফুসফুসকেও অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হয়।

মুখে মাস্ক থাকলে ফুসফুসে বাতাস ঢোকার পথে একটা বাধার সৃষ্টি হয়, যার ফলে আপনি একটুতেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন, হাঁফিয়ে যান। তা ছাড়া একটানা অনেকক্ষণ মাস্ক পরে থাকলে তা ঘামে ভিজে গিয়ে একটা অস্বস্তিকর অবস্থা তৈরি হয়।