জেনে নিন বেশী আওয়াজ সম্পন্ন হেডফোনে কি কি ক্ষতি হতে পারে

জেনে নিন বেশী আওয়াজ সম্পন্ন হেডফোনে কি কি ক্ষতি হতে পারে

আজবাংলা  যত সময় এগোচ্ছে, আমাদের মধ্যে তত বদ অভ্যাস বেড়েই চলেছে। আগে মানুষ সময় পেলেই বই পড়ত, গল্প বা আড্ডা দিত। এখন অবসর মানেই ফোন নিয়ে ঘাটাঘাটি। এবারে শুধু ফোনেই থেমে নেই বিষয়টি। ফোনের পাশাপাশি মানুষের নিত্যদিন আগ্রহ বাড়ছে হেড বা ইয়ার ফোনেও।

এরফলে, কোম্পানিগুলো মানুষের চাহিদার পাশাপাশি আরও জোরাল সাউন্দ তৈরি করছে। এতে আখেরে ক্ষতি হচ্ছে তাদেরই। যারা ওই মানের হেডফোন গুলি ব্যবহার করছে। বিভিন্ন চিকিৎসকের মতে, আগামী প্রজন্ম কালা পর্যন্ত হতে পারে। কোন কোন বিষয়ে এটি স্বাস্থ্যের অবনতি করতে পারে, সেইজন্য ডাক্তাররা এটির একটি চার্ট বানিয়েছেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক।

১. কানে ব্যথা:  অতিরিক্ত হেডফোন ব্যবহারের জন্য অনেকেই কানে ব্যথা অনুভব করেন। মাঝে মাঝে কানের ভেতরে ভোঁ ভোঁ আওয়াজ হয়। 

২. কানের ইনফেকশন:  ইয়ারফোন কারও সঙ্গে শেয়ার না করাই ভাল। না হলে কিন্তু সহজেই কানে সংক্রমণ হতে পারে। অন্য কারও কান থেকে ব্যাকটেরিয়া সহজেই হেডফোনের মাধ্যমে আপনার কানে আসতে পারে।

৩. বধির হওয়ার সম্ভাবনা:  একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় হাই ভলিউমে গান শুনলে হেডফোন খোলার পরও কিছুক্ষণ ভালোভাবে কানে শোনা যায় না। টানা ১৫ মিনিট ১০০ ডেসিবেলের বেশি মাত্রায় গান শুনলে বধির হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

৪. মস্তিষ্কে প্রভাব:  হেডফোন থেকে সৃষ্ট ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক তরঙ্গ মস্তিষ্কের জন্য গুরুতর বিপদ ডেকে আনতে পারে। ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহারকারীদের এক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি। মনে রাখবেন, কানের সঙ্গে মস্তিষ্কের যোগাযোগ কিন্তু সরাসরি।

৫. শ্রবণে সমস্যা:  হেডফোন বা ইয়ারফোন ব্যবহারের মাধ্যমে সরাসরি শব্দ কানে যায়। ৯০ ডেসিবেল বা তার বেশি মাত্রার আওয়াজ সরাসরি কানে গেলে শ্রবণে সমস্যা হতে পারে। চিরতরে শ্রবণ শক্তি হারাতে পারেন। হেডফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছুক্ষণ পর পর কানকে বিশ্রাম দিতে ভুলবেন না এবং হাই ভলিউমে গান কখনও শুনবেন না।

৬. বাতাস প্রবেশে বাধা:  হেডফোন কোম্পানিগুলো এখন তাদের হেডফোনের অডিও এক্সপেরিয়েন্সের দিকে বাড়তি নজর দিয়েছে। যাতে সাউন্ড কোয়ালিটি বজায় থাকে। বেশির ভাগ হেডফোন এয়ার-টাইট। অর্থাৎ কানে বাতাস প্রবেশ করতে পারেনা। যার ফলে ঝুঁকি থাকে কানের সমস্যার।