ইলেকট্রিক স্কুটারের বুকিং নতুন করে শুরু হয়েছে বাজাজে , জানুন খুঁটিনাটি!

ইলেকট্রিক স্কুটারের বুকিং নতুন করে শুরু হয়েছে বাজাজে  , জানুন খুঁটিনাটি!

ইলেকট্রিক স্কুটারের বাজার এই দেশে ধীরে ধীরে ভালোই বেড়েছে Bajaj-এর। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের পর থেকে দেশের মোট ১৮টি শহরে এই ইলেকট্রিক স্কুটারের ডিলারশিপ আছে সংস্থার। তার মধ্যে পাঁচটি রয়েছে পুণে শহরে, বাকিগুলি একচেটিয়া ভাবে বেঙ্গালুরুতে। এই চাহিদার সূত্র ধরেই বাইক প্রস্তুতকারী সংস্থার তরফে ইলেকট্রিক স্কুটার চেতকের বুকিং আবার নতুন করে শুরু হল। জানা গিয়েছে যে এই সুযোগ গ্রাহকদের মঙ্গলবার থেকে দিচ্ছে Bajaj।

যদি কেউ সংস্থার চেতক মেডেলের ইলেকট্রিক স্কুটার বুক করতে চান, তাহলে তাঁকে যেতে হবে সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে। সেখানে প্রাথমিক ভাবে ২০০০ টাকা দিয়ে মডেল বুক করতে হবে। তবে কেউ যদি বুক করে তার পরে সেটা ক্যান্সেল করেন, তাহলে একটা ক্যান্সেলেশন চার্জ কাটবে সংস্থা। জমা করা টাকার অর্ধেক তারা রাখবে নিজের কাছে, বাকি ১০০০ টাকা ফেরত দেওয়া হবে গ্রাহককে। তবে, শুধু দেশেই নয়, বিদেশের বাজারেও চেতক ইলেকট্রিক স্কুটার বিক্রি করা নিয়ে নানা রকম পরিকল্পনা আছে Bajaj-এর বলে শোনা গিয়েছে।

সেই লক্ষ্যে ইয়োরোপে গত বছরেই চেতকের ডিজাইনের অফিসিয়াল রেজিস্ট্রেশনের কাজ সম্পন্ন করেছে সংস্থা। পেটেন্টটি রেজিস্টার করা হয়েছে ইয়োরোপিয়ান ইউনিয়ন ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অফিস (European Union Intellectual Property Office) বা সংক্ষেপে EUIPO-তে, ২০২৯ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত এই রেজিস্ট্রেশন বৈধ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। ২০২০ সালেই ভারতের বাজারে নতুন করে নিয়ে আসা হয় Bajaj-এর চেতক স্কুটার মডেলটিকে। তবে পুরনো ICE পাওয়ারট্রেন ইঞ্জিন নয়, তার বদলে এবারে চেতক মডেলে নজর কাড়ে ইলেকট্রিক মোটর। জানা গিয়েছে যে এর নতুন ইলেকট্রিক মোটর ৩.৮kW/৪.১kW (কন্টিনিয়াস/পিক পাওয়ার) পাওয়ার সরবরাহ করতে সক্ষম।

এর ৩kWh লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি একবার পুরো চার্জ দিলে ইকো মোডে ৯৫ কিলোমিটার পথ অনায়াসে পাড়ি দিতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থা। ঠিক তেমনই একবার পুরো চার্জ পেলে স্পোর্ট মোডে চেতক ইলেকট্রিক স্কুটারে করে ৮৫ কিলোমিটার পথ যাওয়া যাবে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাস থেকেই Bajaj-এর সব রেঞ্জের বাইকের দাম বেড়ে গিয়েছে। সংস্থা জানিয়েছে যে খুব কম করে হলেও গড়ে মোটামুটি ৩০০০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে।