ত্বকের যত্নে অত্যন্ত উপকারি ক্যাস্টর অয়েল 

ত্বকের যত্নে অত্যন্ত উপকারি ক্যাস্টর অয়েল 

ক্যাস্টর অয়েল আমাদের ত্বক ও চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারি। বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী দ্রব্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এটি।ত্বকের সুস্থতায় ক্যাস্টর অয়েলের জুড়ি নেই। এটি শুধু ত্বককে সুস্থই রাখে না, ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়ায়। তবে এই তেলের কিছু পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াও আছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, ত্বকের যত্নে ক্যাস্টর অয়েলের উপকারিতা এবং পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া সর্ম্পকে। 


ক্যাস্টর অয়েলে ত্বকের জ্বালাভাব দূর করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর।  গবেষণা অনুযায়ী, ক্যাস্টর অয়েলের ত্বকে প্রয়োগের ফলে আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ কমতে পারে। এটি ফোলাভাব, ব্রণ ও আই ব্যাগ কমাতে পারে। এছাড়াও, ক্যাস্টর অয়েল সানবার্নের কারণে হওয়া জ্বালা-ব্যথা কমিয়ে দিতে পারে। ত্বকের রোদে পোড়া দাহ দূর করতে ক্যাস্টর অয়েলের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে লাগান। আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন।

অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল গুন বর্তমান এই অয়েলে । যার ফলে ক্যাস্টর অয়েলের ব্যবহার, ব্যকটেরিয়াল ইনফেকশনের থেকে ত্বককে রক্ষা করতে পারে।  ক্যাস্টর অয়েলে রয়েছে ট্রাইগ্লিসারাইড। এটি ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও  ভঙ্গুর নখের যত্নে ক্যাস্টর অয়েল কার্যকর। প্রতিদিন সামান্য ক্যাস্টর অয়েল সরাসরি ঘষে ঘষে লাগালে  নখ মজবুত হবে।

ফ্রি ব়্যাডিকেলই ত্বকের বার্ধক্যজনিত লক্ষণগুলির জন্য দায়ী ক্যাস্টর অয়েলে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ফ্রি ব়্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে।   ক্যাস্টর অয়েলের ব্যবহার রিঙ্কেলস এবং ফাইন লাইনস প্রকট হতে বাধা দেয়।ক্যাস্টর অয়েলে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বর্তমান। তাই ক্যাস্টর অয়েল ত্বকের ছিদ্রগুলিতে আটকে থাকা ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সহায়তা করে। 

শুষ্ক ঠোঁটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর ক্যাস্টর অয়েল। চাইলে ক্যাস্টর অয়েল, নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়েও ব্যবহার করা যেতে পারে। হাতের ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে আমন্ড অয়েলের সঙ্গে ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে ম্যাসাজ করুন।ক্যাস্টর অয়েল হেলদি ফ্যাটি অ্যাসিডের দুর্দান্ত উৎস।