দর্শন করে আসুন জাগ্রত কপিল মুনির মন্দির এবং ৫১ টা দ্বীপের সমাহার !!

দর্শন করে আসুন জাগ্রত কপিল মুনির মন্দির এবং ৫১ টা দ্বীপের সমাহার !!
Kapilmuni temple , Gangasagar

আজ বাংলা : সাগর সঙ্গমে দর্শন করা এখন আর দুরহ ব্যাপার নয় । এখন হাতের কাছেই দর্শন করতে পারবেন সাগর সঙ্গম কলকাতার খুব কাছেই অবস্থিত সাগরদ্বীপে গেলে । অনায়াসেই ঘুরে আসতে পারবেন কপিল মুনির আশ্রম।এখন নতুনভাবে সেজে উঠেছে গঙ্গাসাগর প্রতিবছর সাগরের মেলায় নতুন রূপে পরিণত হচ্ছে সাগরদ্বীপ।  নতুন রঙের প্রলেপে সেজে উঠেছে কপিল মুনির মন্দির।  প্রায় ছোট-বড় মিলিয়ে একান্নটা দ্বীপের সমাহার সাগরদ্বীপে ।

 মকর সংক্রান্তির সময় গঙ্গাসাগরে বেশ ভিড়ভাট্টা হয়। তবে এই সময় ছাড়া বাদবাকি সময়টুকু সাগর বেলা বেশ কোলাহলহীন থাকে। জলতরঙ্গ ধ্বনি এবং বাতাসের আওয়াজ শুধু উপভোগ করা যায় ।সাগর পারে রয়েছে ছোট্ট একটি গ্রাম রয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট কুটির । সেই গ্রাম্য পরিবেশে গ্রাম্য জীবন আপনারা ঘুরে দেখতেও পারবেন। সমুদ্র সৈকতে বসে শান্ত বাতাস গায়ে মেখে এক অদ্ভুত শান্তি অনুভব করতে পারবেন।

সমুদ্রে বেশ কয়েকটি নৌকার আনাগোনা লেগেই রয়েছে । আর সমুদ্র সৈকত কে সাক্ষী রেখে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত এক অপূর্ব দৃশ্য । আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র হল কপিল মুনির মন্দির । বহু প্রাচীন এবং জাগ্রত মন্দির দর্শনের মধ্যে দিয়ে এক অপূর্ব ভক্তির সঞ্চার ঘটে।১৯৭৩ সালে নির্মিত হয়েছিল এই মন্দিরটি ।তবে মন্দিরটি নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে প্রাচীন মন্দির সমুদ্র গ্রাসে বিলীন হয়ে গেছে।আরো একটি অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হলো এখানকার লাইটহাউস । যেখান থেকে সমগ্র গ্রাম্য অঞ্চল এবং সমুদ্র সৈকত দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়াও এখানে ঘুরে আসার মত রয়েছে মেরিন পার্ক এবং রামকৃষ্ণ মিশন ।

কিভাবে যাবেন!! বাস ও ট্রেন দুটোতেই যাওয়া যায় এখান । শিয়ালদা থেকে ট্রেনে কাকদ্বীপ সেখান থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে হারউড পয়েন্ট সেখান  থেকে ভেসেলে মুরিগঙ্গা পেরিয়ে কচুবেরিয়া তারপর  বাস বাস ট্রেকার করে সাগরদ্বীপ। এছাড়াও ধর্মতলা থেকে সরাসরি বাস যাচ্ছে হারউড পয়েন্ট । আর সেখান থেকে একই পথ । 

কোথায় থাকবেন!! সসাগরদ্বীপে পশ্চিমবঙ্গ যুব কল্যাণ দপ্তর এর যুব আবাস(Youth Hostel) রয়েছে । সেখানে সব রকমের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে এছাড়াও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের গেস্ট হাউস আছে এবং ভারত সেবাশ্রম সংঘের ধর্মশালা ও জেলা পরিষদের বাংলো আছে।