যষ্টিমধুর গুনে সারিয়ে ফেলুন বহু কঠিন রোগ

যষ্টিমধুর গুনে সারিয়ে ফেলুন বহু কঠিন রোগ

আজবাংলা   যষ্টিমধু, যার নাম শুনে মধু ভেবেই অনেকেই ভুল করি। তবে এটি মূলত গাছের শিকড়। মধু না হলেও গুণে কিন্তু মধুর চেয়ে কম নয় প্রাকৃতিক এই যষ্টিমধু। যা হাজার বছর ধরে আয়ুর্বেদিক সব ধরনের ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার হয়ে আসছে। যষ্টিমধুর রয়েছে অনেক উপকারিতা।

যষ্টিমধু বহুবর্ষজীবী গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এর কাণ্ড বহু শাখাবিশিষ্ট, তিন-চার ফুট লম্বা, সরল ও নরম হয়ে থাকে। এর পাতা দণ্ডের উভয় দিকে সমান্তরালভাবে বিন্যস্ত এবং দণ্ডের অগ্রভাগে একটি পাতা থাকে। আসুন আজকের প্রতিবেদনে দেখে নেব যষ্টিমধুর বহুল ব্যবহার।

1) অ্যালার্জি প্রতিরোধক:- যষ্টিমধুর গ্লাইসিরাইজিক অ্যাসিড মাস্টকোষ হতে হিস্টামিন নিঃসরণ কমিয়ে অ্যালার্জি প্রতিরোধ করে।এছাড়াও যষ্টিমধু রোগ সৃষ্টিকারী বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া এবং বিভিন্ন ছত্রাক প্রতিরোধ করতে পারে।

2) লিভার সুরক্ষায়:- যষ্টিমধুর গ্লাইসিরাইজিন বিষাক্ত পদার্থের কবল থেকে লিভারকোষসমূহ সুরক্ষা করে। 3) গলা ব্যথা হলে :- গলা ব্যথা বা টনসিল হলে এর পাতা চিবিয়ে খেলে ভাল উপকার পাওয়া যায়।

4) কন্ঠনালি পরিস্কার করতে:- কন্ঠনালীতে অতিরিক্ত ধুলাবালী জমার কারনে যে খুশখুশি কাশি হয় তা নিবারণ করতে সাহায্য করে এই যষ্টিমধু। যষ্টিমধু খেলে আপনার কন্ঠনালিটাকে পরিস্কার ও সুন্দররাখে।ব্রষ্কাইটিস, শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসে দুর্বলতা, প্রভৃতি রোগ নিরসনে যষ্টি মধু কার্য্কর ভূমিকা রাখে।ভিতর জমে থাকা পুরোনো সর্দি,কফ,কাশ পরিস্কার করে থাকে।

5) মুখের দুর্গন্ধ ও রুচি বৃদ্ধি :- যষ্টি মধু মুখের দুর্গন্ধ, রুচি বৃদ্ধি কারক, হিসাবে কাজ করে থাকে। 6) স্মৃতিশক্তি বাড়াতে:- স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য দুধের সঙ্গে যষ্টিমধুর গুঁড়া মিশিয়ে পান করুন, স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে।

7) পুষ্টিহীনতা:- অপুষ্টিজনিত কৃশতায় পুষ্টিহীনতা বা শরীরের বিপাকজনিত সমস্যায় যারা কৃশতায় ভুগছেন, তারা যদি প্রতিদিন অল্প পরিমান যষ্টিমধু সেবন করেন, তবে উপকার পাবেন।

8) মৃগি রোগে:- মৃগি রোগেও যষ্টিমধুর উপকার দেখা যায়। এক্ষে এ ১/২ গ্রাম মাত্রায় যষ্টিমধু নিয়ে আধ কাপ পাকা চাল কুমড়োর রস মিশিয়ে কয়েক দিন খেতে হবে। এতে মৃগি রোগের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। 9) ত্বক উজ্জ্বল:- ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে যষ্টিমধু ও ঘি একত্রে মিশিয়ে ব্যবহার করুন।এছাড়া ত্বকের বলিরেখা, ব্রণ ও দাগ দূর করে।