মাদ্রাসা শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তিতে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল ধর্মতলা

মাদ্রাসা শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তিতে  রণক্ষেত্র হয়ে উঠল ধর্মতলা

মাদ্রাসা শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তিতে মঙ্গলবার রণক্ষেত্র হয়ে উঠল ধর্মতলা চত্বর। এদিন ঘটনাটি ঘটে ধর্মতলার গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। করোনা  পরিস্থিতিতে সেখানেই বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে এসেছিলেন মাদ্রাসা শিক্ষকরা। অল্প সময়েই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

অভিযোগ, শিক্ষকদের উপর বেপরোয়াভাবে লাঠিচার্জ করা হয়েছে। মঙ্গলবার 'আনএডেড' মাদ্রাসাগুলির উন্নয়নের দাবিতে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল 'ওয়েস্টবেঙ্গল রেকগনাইজড আন এইডেড মাদ্রাসা টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন'। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সকালে মাদ্রাসা শিক্ষকদের কয়েকটি মিছিল ধর্মতলায় জড়ো হয়।

কথা ছিল, মিছিলগুলি গান্ধী মূর্তির পাদদেশে জড়ো হয়ে সকলে একসঙ্গে নবান্নের দিকে এগিয়ে যাবেন। অনেক আগে থেকেই এই কর্মসূচি ঠিক করে রাখা ছিল। সংগঠন সেনার অনুমতিও নিয়েছিল বলেও জানানো হয়েছে। কিন্তু পুলিশের অনুমতি ছিল না। তাতেই বাধে বিপত্তি।

মিছিল শুরু হতেই পুলিশ বাধা দেয়। মাদ্রাসা শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশকর্মীদের ধ্বস্তাধস্তি শুরু হয়। কয়েকজন মাদ্রাসা শিক্ষকনেতা রাজপথে শুয়ে পড়েন।  অভিযোগ, এরপরই কড়া পদক্ষেপ নেয় পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের অনেককে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়।

কয়েকজনের উপর লাঠিচার্জ করা হয় বলেও অভিযোগ। সংগঠনের সভাপতি জাভেদ মিয়াঁদাদ সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছেন, 'সংখ্যালঘুদের উপর এই সরকার অত্যাচার করছে। এই সরকারের মানসিকতা সংখ্যালঘুদের দাবিগুলিকে দাবিয়ে রাখা।' আন্দোলনকারী এক শিক্ষক বলেন, 'আমরা শান্তিপূর্ণভাবে গান্ধী মূর্তির দিকে এগোচ্ছিলাম। হঠাত্‍ পুলিশ আক্রমণ করে।

আমাদের কয়েকজনকে মেরে রক্তাক্ত করা হয়েছে।' বিক্ষুব্ধ মাদ্রাসা শিক্ষকদের অভিযোগ, বিনা বেতনে তাঁরা মাদ্রাসায় পড়াচ্ছেন। পড়ুয়ারা মিড-ডে মিল-সহ কোনও সরকারি সুযোগ-সুবিধা পায় না। বিক্ষোভ কর্মসূচির জন্য অনুমতি ছিল কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে এক আন্দোলনকারী বলেন, 'আমরা অনুমতি চেয়ে চিঠি পাঠালেও পুলিশ উত্তর দেয়নি।'