দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলায় আজ মানুষ করেছে, পরে কুকুর-ছাগলে করবে , দাবি তৃণমূল নেতা অনুব্রতর

দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলায়  আজ মানুষ  করেছে, পরে কুকুর-ছাগলে করবে , দাবি তৃণমূল নেতা অনুব্রতর

আলিপুরদুয়ারে দিলীপ ঘোষের  কনভয়ে হামলা নিয়ে রাজ্য রাজনীতির অলিন্দে তোলপাড়। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার আড়ালে তৃণমূলই হামলা চালিয়েছে বলেই উঠেছে অভিযোগ। সেই অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে বেনজির আক্রমণ করলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।

এ প্রসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, 'ভাষাজ্ঞান ঠিক না করলে এই অবস্থাই হবে। সবসময় আজেবাজে ভাষায় কথা বললে মানুষ তা মেনে নেবে না। উনি পাগল ছাগল মানুষ। এখন মানুষ গাড়ি ভাঙচুর করছে। পরে ছাগল, কুকুরে ভাঙবে।' গাড়ি ভাঙাতে মোর্চার সর্মথকদের নেপথ্যে তৃণমূল রয়েছে বিজেপির এই অভিযোগের উত্তরে অনুব্রত বলেন, 'কে রয়েছে না রয়েছে তা পরে দেখা যাবে। 

আগে ওনাকে ভাষাজ্ঞান ঠিক করতে হবে।'উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জয়গাঁতে জনসভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে দলসিংপাড়াতে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিশের দাবি, পঁচিশটি বাইক নিয়ে র‍্যালির অনুমতি নিয়েছিল বিজেপি । অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও কমপক্ষে একশোটি বাইক নিয়ে র‍্যালি করার চেষ্টা করেন দিলীপ ঘোষ।

তাই তাঁর ওই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেয় পুলিশ। ব্যাপক বচসাও বাঁধে দু'পক্ষের। পুলিশের কর্ডন ভেঙে বেআইনিভাবে বাইক র‍্যালি চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। এরপর জয়গাঁর মঙ্গলাবাড়িতে পৌঁছয় র‍্যালি। অভিযোগ, সেখানে বিজেপি রাজ্য সভাপতির কনভয় লক্ষ্য করে পাথরবৃষ্টি হয়।

দিলীপ ঘোষকে ঘিরে চলে গো ব্যাক স্লোগান। তাঁকে কালো পতাকাও দেখানো হয়। এরপর কোনওক্রমে সভায় হাজির হন তিনি। দিলীপ ঘোষের পাশাপাশি কালচিনির বিধায়ক উইলসন চম্প্রামারির গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। তারই প্রতিবাদে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে বিক্ষোভও দেখায় বিজেপির যুব মোর্চা।

 

বৃহস্পতিবার লাভপুরে তৃণমূলের বুথভিত্তিক কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। ছিলেন জেলাপরিষদের মেন্টর অভিজিত্‍ সিংহ, সাংসদ অসিত মাল, লাভপুর ব্লক সভাপতি তরুণ চক্রবর্তী, আব্দুল মান্নান-সহ অন্যান্য নেতারা। সেখানেই দিলীপ ঘোষকে একহাত নেন তিনি।

এছাড়া বিহারের (Bihar) নির্বাচনের ফল নিয়েও মুখ খোলেন অনুব্রত। তিনি বলেন, 'চূড়ান্ত জালিয়াতি হয়েছে। তাই ফলাফল প্রকাশে এত দেরি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি কিছু করতে পারবে না।'