দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে এই কাজগুলি করবেন না

দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে এই কাজগুলি করবেন না

আজবাংলা   শরতের আগমনে শিশির ভেজা ঘাস, কাশ ফুল ও নীল আকাশের দিকে তাকালেই বোঝা যায় মা দুর্গা আসছেন। ঠিক অন্যান্য বছরের মতো এই বছরটা নয়। শরতের আগমনে শিশির ভেজা ঘাস, কাশ ফুল ও নীল আকাশের দিকে তাকালেই বোঝা যায় মা দুর্গা আসছেন।

তবে, অন্যান্য বারের দুর্গাপুজোর মতো এইবারের রেশ কিন্তু একই মেজাজে নেই। তবুও তো উমা ফিরবেন ঘরে, এটাই বাঙালি মনে আনন্দের কারন। এই চরম সংকটের মধ্যেও থেকেও উমাকে বরণ করে নেওয়ার চেষ্টায় চলছে।তবে দেবীপক্ষের শুরু মানেই আনন্দের শুরু। এই বিশেষ সময় থেকেই মানুষের জীবনে প্রত্যেকেটা সকাল সুন্দর হোক, এটা সবাই চায়। আর সকাল যদি ভাল না কাটে, তা হলে সারাটা দিন যেন খারাপ হয়ে যায়। তবে, এই বিশেষ নিয়মগুলি মেনে চললে দুঃসময় খুব সহজেই পার হয়ে যাবে।

এই সময় নিত্য গঙ্গাস্নান করে নিন৷ যদি গঙ্গায় যাওয়া শুরু না হয় তাহলে বাড়িতে স্নান করে নিয়ে গঙ্গা জলের পাত্র থেকে কয়েক ছিটা জল মাথায় দিয়ে নিজেদের শুদ্ধ করে নিন৷ এতে শরীর ও মন শুদ্ধ হয়৷ গঙ্গাজল মাথায় দেওয়ার সময় গঙ্গা গঙ্গা উচ্চারণ করুন৷ষষ্ঠীর দিন সকালে যাঁরা সন্তানের মা তাঁরা সন্তানের মঙ্গল কামনায় ষষ্ঠীদেবীর পুজো দিন৷ সন্তানের কপালে দই-হলুদের ফোঁটা দিন৷ এতে সন্তানের দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের কামনা করুন৷সপ্তমী ও অষ্টমী অঞ্জলি যদি কোনও কারণে দিতে নাও পারেন তাহলে সন্ধিপুজোর অঞ্জলি অতি অবশ্যই দিন।

রোজ দিন ১০৮ বার দুর্গা নাম জপ করুন৷ ষষ্ঠী থেকে নবমী পর্যন্ত নিরামিষ আহার করুন৷ আমিষ আহার দেবীকে বলি দেওয়া ভোগের পরই গ্রহণ করা কাঙ্খিত৷পাশাপাশি এই অষ্টমীর দিন অন্ন গ্রহণ করাও উচিত নয়।শাস্ত্রে বলা হয়েছে, দুর্গাষ্টমীতে অন্নগ্রহণ করলে সারা বছর নরকবাস করতে হয়৷ অর্থাৎ জীবনে একাধিক দুর্ধটনা ও দুঃসময় আসে৷ এমনটাই কালিকা পুরাণে বলা হয়েছে৷

দশমীর সন্ধ্যায় গুরুজনদের শ্রদ্ধাভারে প্রণাম করুন৷ তাঁদের থেকে আশীর্বাদ নিন৷ এদিন রীতি মেনে সামাণ্য সিদ্ধির সরবত পান করার নিয়ম আছে তা পালন করুন৷ তাহলে সারা বছর সব কাজে সিদ্ধিলাভ হবে৷এই সময় নারী –পুরুষ অবাধ শারীরিক মিলন বারণ৷ পুজোর কটা দিন স্ত্রী –প্রেয়সী যতই আকর্ষণীয় সাজে সাজুন, সংযম পালন করুন৷ কারণ শারীরিক সংযম হলেই পুরো পুজো পবিত্রভাবে পালন করা সম্ভব হবে৷