ঘূর্ণিঝড় তাউটের ধাক্কায় মুম্বই উপকূলে ডুবল বার্জ, উদ্ধার ১৪৬ জন, নিখোঁজ ১২৭

ঘূর্ণিঝড় তাউটের ধাক্কায় মুম্বই উপকূলে ডুবল বার্জ, উদ্ধার ১৪৬ জন, নিখোঁজ ১২৭

 ঘূর্ণিঝড় তওতের ধাক্কায় মুম্বই উপকূলের কাছে ডুবে গেছে একটি বার্জ। 'পি ৩০৫' নামের ওই বার্জে ২৭৩ জন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৪৬ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখনও ১২৭ জনকে উদ্ধার করা যায়নি। উদ্ধারের জন্য নৌবাহিনীর আইএনএস কোচি, আইএনএস কলকাতা সহ ৪টি যুদ্ধজাহাজকে কাজে লাগানো হচ্ছে। মুম্বইয়ের নৌসেনা ঘাঁটি থেকে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে একাধিক হেলিকপ্টার। তবে প্রচণ্ড ঝোড়ো হাওয়ার জন্য ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধারকাজ।

এদিকে, নৌসেনার তরফে জানানো হয়েছে, গতকাল ৪টি এসওএস বাহিনীর কাছে আসে। এর মধ্যে একটি ছিল 'পি ৩০৫' বার্জের থেকে। এর পাশাপাশি, সাগর ভূষণ ওয়েল রিগ-এ আটকে পড়েছেন ১০১ জন। তাঁদেরও উদ্ধারের চেষ্টা হচ্ছে। পাঠানো হয়েছে যুদ্ধজাহাজ আইএনএস তলওয়ার-কে। 'গ্যাল কনস্ট্রাক্টর' নামে একটি বার্জও বিপদের মধ্যে পড়ে। সেখানে ১৩৭ জন ছিলেন। উপকূলরক্ষী বাহিনীর জাহাজ সিজিএস সম্রাটকে উদ্ধারকাজে পাঠানো হবে।

এছাড়া পাঠানো হয় এমার্জেন্সি টোয়িং ভেসেল 'ওয়াটার লিলি' এবং দুটি সাপোর্ট ভেসেলকে। অন্যদিকে, 'বার্জ এসএস-৩' মাঝ সমুদ্রে আটকে পড়ে। সেই বার্জে ১৯৬ জন যাত্রী ও ক্রু রয়েছেন। নৌসেনার পি৮১ নজরদারি বিমান ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধারকার্য শুরু হওয়ার কথা। প্রসঙ্গত, দুদিন ধরে তাণ্ডব চালানোর পর ঘূর্ণিঝড় তওতে ধীরে ধীরে দুর্বল হচ্ছে। গতকাল রাতে গুজরাতের ৬০ কিলোমিটার দূরে দিউতে স্থলভাগে আছড়ে পড়ে তওতে।

ল্যান্ডফল হওযার পর প্রবল বর্ষণ ও ঝড় হয়। গুজরাতে উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে সেনার ১৮০ টি দল মোতায়েন করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত দুই লক্ষ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিধ্বংসী ঝড়ের তাণ্ডব মোকাবিলায় মোতায়েন করা হয় এনডিআরএফেস ৪৪ টি দল। গুজরাতে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সবমিলিয়ে ঝড়ের দাপটে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। গোয়াতে ২, কেরলে ২,কর্ণাটকে ৪, মহারাষ্ট্রে ৬ ও গুজরাতে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে।