মালদায় সংবাদমাধ্যমের খবরের জেরে শুরু হলো বেহাল সেতু সংস্কারের কাজ

মালদায় সংবাদমাধ্যমের খবরের জেরে শুরু হলো বেহাল সেতু সংস্কারের কাজ

তনুজ জৈন      হরিশ্চন্দ্রপুর:   সংবাদমাধ্যমের খবরের জেরে জেলা পরিষদের সদস্যের উদ্যোগে শুরু হলো বেহাল সেতু সংস্কারের কাজ।মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার তুলসিহাটা গ্রাম পঞ্চায়েত এবং রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েত এর মধ্যে সংযোগকারী সেতুটি প্রায় তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সংস্কার হয়নি।

সংস্কারের অভাবে বেহাল দশা হয় সেতুর।সেতুর মাঝের অংশ ধসে যায় এবং দুই দিকে রেলিং ভেঙে যায়।ফলে সেই সেতু দিয়ে যাতায়াত করতে প্রচণ্ড সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিল সাধারণ মানুষেরা।এদিকে রশিদাবাদ, চন্ডিপুর ,মানকিবাড়ি সহ আশেপাশের প্রায় ৭ থেকে ৮ টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষকে দৈনন্দিন এই সেতুর উপর দিয়ে যাতায়াত করতে হয়।

সন্ধ্যার পর ওই সেতু পার হওয়ার সময় রেলিং না থাকায় নিচের গর্তে পড়ে গিয়ে মাঝে মাঝেই দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছিলেন পথচারী থেকে শুরু করে বাইক সাইকেল আরোহীরা।সেতু দিয়ে যাতায়াত করতে নিরাপত্তার অভাব বোধ করছিল সকলে।যানবাহন চলাচলও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে বহুদিন ধরে। সেতুটি ভেঙে যেকোনো সময় বড়োসড়ো রকমের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।

কিছুদিন আগে সেতুর এই বেহাল দশার খবর প্রকাশিত হয় সংবাদমাধ্যমে। আর সেই সংবাদমাধ্যমের খবরের জেরে নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। আজ থেকে শুরু হল সেই বেহাল সেতু সংস্কারের কাজ। জেলা পরিষদের সদস্য সন্তোষ চৌধুরী উদ্যোগে জেলা পরিষদের আর্থিক সাহায্যে ব্রীজ সংস্কারের কাজ হচ্ছে।

দীর্ঘদিন পর ব্রীজ সংস্কারের কাজ শুরু হওয়াতে খুশি সাধারণ মানুষেরা। উনারা ধন্যবাদ জানিয়েছেন জেলা পরিষদের সদস্য সন্তোষ চৌধুরীকে।মানকিবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন,"দীর্ঘ কুড়ি- পঁচিশ বছর ধরে সংস্কার হয়নি এই সেতু।বর্তমানে সেতুর অবস্থা সংস্কারের অভাবে এতটাই খারাপ হয়ে গেছিল যে যেকোনো সময় ভেঙে পড়ার আশঙ্কা

করছিলাম আমরা সকলে। জেলা পরিষদের সদস্য সন্তোষ চৌধুরীর কাছে অনুরোধ করি সেতু সংস্কারের জন্য। আজ সংস্কারের কাজ শুরু হওয়াই আমরা খুশি এবং ওনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। "আরেক স্থানীয় বাসিন্দা শামীম আক্তারও সন্তোষ বাবুকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন,"দীর্ঘ দিন ধরে ব্রীজ সংস্কার না হওয়ায় ব্রিজের মাঝখানে ধসে গেছিল।জেলা পরিষদের সদস্য সন্তোষ  চৌধুরীর উদ্যোগে এই সংস্কারের কাজ শুরু হওয়াই  আমরা আনন্দিত।"

আর এই প্রসঙ্গে সন্তোষ চৌধুরী বলেন,"সেতুর বেহাল দশা নিয়ে সেখানকার বাসিন্দারা আমাকে জানিয়েছিল।আমি জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মন্ডলকে সমস্যার কথা জানাই।স্থানীয় বাসিন্দাদের কথা দিয়েছিলাম খুব দ্রুত সেতু সংস্কারের কাজ হবে।সেই কথা রাখলাম । জেলা পরিষদের আর্থিক সাহায্যে সেতু সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে গেল।