ওষুধ ছাড়াই মুক্তি পান অসহ্য কাঁধের ব্যথা থেকে

ওষুধ ছাড়াই মুক্তি পান অসহ্য কাঁধের ব্যথা থেকে

আজবাংলা   যতগুলো ব্যথা আমাদের পীড়া দেয় তার মধ্যে কাঁধ ব্যথা বা ফ্রোজেন সোল্ডার সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক। এই রোগে স্বাভাবিক সময় যেমন হাত বিশ্রামে রাখলে বা আক্রান্ত হাত দিয়ে কোনো কাজ না করলে সাধারণত কোনো ব্যথা অনুভূত হয় না। ব্যথাতুর হাত দিয়ে কিছু ধরতে গেলে কাঁধে বিদু্যুৎ চমকের মতো তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়।

আজকের প্রতিবেদনে দেখে কি কি করলে এই অসহ্য কাঁধের ব্যথা থেকে মুক্তি পাবো।

রোজ ব্যায়াম করুন-  একটা কথা বলা হয়, শরীরকে খাটালে তা আরও ভালো থাকে। তাই রোজ ব্যায়াম করুন। দেখবেন এতে কাঁধের পেশির উপর চাপ পড়বে। এতে সঙ্কোচন আর প্রসারণ ক্ষমতা বাড়বে। স্থিতিস্থাপকতা ক্ষমতা বাড়বে কাঁধের। তাই নিয়ম করে হাল্কা করে ব্যায়াম করুন, যখনই সময় পাবেন।

ঠিক করে ঘুমোন-  ঘুমের দোষে অর্থাৎ ঠিক করে, ঠিক পজিশনে না ঘুমোলে ব্যথা হতে পারে। তাই ঠিক করে ঘুমোন। একটি নরম বালিশ নিন। আর খাটের ম্যাট্রেস যেন খুব নরম বা খুব শক্ত না হয়। এতে কিন্তু ব্যথা বাড়ে। আর ঘুমের পজিশন পালটান।

ম্যাসাজ থেরাপি-  ম্যাসাজ থেরাপিও কিন্তু খুব সহজেই এই কাঁধের ব্যথা কম করতে পারে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল এটি খুব তাড়াতাড়ি আরাম দেয়। কিন্তু এটি অবশ্যই দেখে নেবেন যেন এই ম্যাসাজ কোনও প্রফেশনাল মানুষই করে থাকেন, নইলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

ঠাণ্ডা বা গরম সেক- কোল্ড কমপ্রেস ব্যথা কমাতে পারে কারণ এটির মধ্যে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান আছে। আর গরম সেক রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, ফলে ব্যথা কমে। উপকরণঃ সেক দেওয়ার জন্য কাপড়।

পদ্ধতিঃ একটি কাপড় নিয়ে সেটি ঠাণ্ডা বরফে নিয়ে বা গরম করে সেক দিতে হবে। ৫ মিনিট করে রেখে দিতে হবে। তারপর আবার একই ভাবে সেক দিতে হবে। এটি দিনে ৩ বার মতো করলে ভালো হয়।

এপসোম সল্ট বাথ-  এপসোম সল্টে আছে ম্যাগনেসিয়াম। আর ম্যাগনেসিয়ামের মধ্যে আছে ব্যথা কমানোর জন্য অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান। তাই এটি ব্যথা কমায় সহজেই।

হেলদি ডায়েট-  কাঁধের ভালো যত্ন নিতে হলে তাকে মজবুত করা দরকার। আর তার জন্য আপনাকে খুব ভালো করে খেতে হবে। আপনার ডায়েটে রাখতে হবে সুষম খাদ্য। তার মধ্যে অবশ্যই রাখতে হবে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। কারণ ক্যালসিয়াম হাড়ের জোর বাড়ায়। তাই হেলদি ডায়েট মেনে চলুন।