সি ফুডে অ্যালার্জি? আসুন দেখে নিন ঘরোয়া কিছু সমাধান

সি ফুডে অ্যালার্জি? আসুন দেখে নিন ঘরোয়া কিছু সমাধান

আজবাংলা   কমবেশি প্রায় সকলেই অ্যালার্জির সমস্যায় ভোগে। অ্যালার্জির কারনে বেড়ে রাশ, চুলকুনি ইত্যাদি। এমনকি শ্বাস প্রশ্বাসেও বাধা আসে মাঝেসাজে। এইসবের কারনে অনেকেরই শরীর পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

আবার অনেকের ধোঁয়া, ধুলো ইত্যাদি থেকেও অ্যালার্জি হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে বলা হয় ডাস্ট অ্যালার্জি। তাঁরা বাড়ির বাইরে বেরোলেই নানা রকমের সমস্যার সম্মুখীন হন।

আর পাশাপাশি অনেকেই আছে যারা খেতে খুব ভালোবাসে। কিন্তু বিশেষ কোন খাবার খেলেই শরীরের নান জায়গা চুলকানো শুরু হয়। ডাক্তারের পরিভাষায় এটিকে বলা হয় ফুড অ্যালার্জিতে। তবে দেখা গেছে, এদের মধ্যে অধিকাংশই ভোগেন সি ফুড অ্যালার্জির সমস্যায়।

সেক্ষেত্রে, ডাক্তারবাবুরা অ্যালার্জি যে যে খাবারের কারনে হয়, সেইসব অ্যালার্জি  উপাদানকারী খাবার থেকে দূরে থাকতে বলেন। এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যাঁদের একেবারেই সামুদ্রিক মাছ বা ওই রকম খাবার একেবারেই সহ্য হয় না।

তবে খাওয়ার সময় কিছু নিয়ম মেনে চললে কোন সমস্যা হবে না। সি ফুড কেনার সময় ও রান্নার করার আগে কয়েকটি বিষয় মেনে চললেই এই অ্যালার্জি হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যাবে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন বিষয়গুলি মাথায় রেখে চলতে হবে- ১) বাজার থেকে কাঁচা সামুদ্রিক মাছ কিনে আনার পর কখনওই ফেলে রাখা যাবে না।

সঙ্গে সঙ্গে ফ্রিজে ভরে রাখতে হবে। ২) ফ্রোজেন বা বরফযুক্ত সি ফুড কেনার ক্ষেত্রে তার মোড়ক দেখে নিতে হবে ভাল করে। এরপর বাড়িতে আনা মাত্রই দ্রুত সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। ৩) রান্না করা খাবারের পাশাপাশি কখনওই কাঁচা সামুদ্রিক কোন খাবার খোলা অবস্থায় রাখা যাবে না।

এর ফলে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। ৪) কাঁচা সামুদ্রিক মাছ বা মাংসের ক্ষেত্রে অনেকক্ষণ ভাল রাখতে সেলোফেন পেপারে র‌্যাপ করে বা মুড়ে এয়ার টাইট কন্টেনারে ভরে তবেই ফ্রিজে রাখতে হবে।