হেরে গিয়েও দেখবেন ওরা ট্রাম্পের মতো বলবে জিতেছি : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

হেরে গিয়েও দেখবেন ওরা ট্রাম্পের মতো বলবে জিতেছি : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের দিন ঘোষণার বহু আগেই দ্রুত বাড়ছে রাজনীতির উত্তাপের পারদ। রাণাঘাটের হবিবপুরের ছাতিমতলা ময়দানের সভামঞ্চ থেকে বিজেপিকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন  "হেরে গিয়েও দেখবেন ওরা ট্রাম্পের মতো বলবে জিতেছি। মমতা বলেছেন, 'মতুয়াদের বলছি, আপনারা সবাই নাগরিক।

অসমে ১৯ লক্ষ বাঙালির নাম বাদ দিয়ে দিয়েছে। আমরা এ সব করি না, এনআরসি-এনপিআর করতে দেব না। আমি রাস্তায় নেমে একের পর এক মিছিল করেছি। মতুয়া-নমঃশূদ্রদের জন্য বোর্ড গড়েছি, টাকা দিয়েছি।' মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, 'সাঁওতালিদের জন্য অ্যাকাডেমি গড়েছি, ভেদাভেদ নেই।

তৃণমূল দল ত্যাগীদের বিষয়ে খুব বেশি, গুরুত্ব না দিয়ে জানান বিজেপি এখন ওয়াশিং মেশিনের ভূমিকায়! ইডির ভয় দেখিয়ে, সমস্ত ময়লা  পরিষ্কারের দায়িত্ব নিয়েছে বিজেপি। দলীয় নেতা নেত্রীর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব প্রসঙ্গে একটিও কথা খরচ করতে দেখা গেল না মুখ্যমন্ত্রী কে।

মিডিয়া সম্পর্কে বলেন, দুই-একটি বাদে বেশিরভাগ মিডিয়ায় বিক্রি হয়ে গেছে, বিজেপির কাছে। নদিয়ার অনেক তৃণমূল নেতাই বিজেপি-তে যাওয়ার জন্য পা বাড়িয়ে রয়েছেন, এমন খবরও উঠে আসছে। ভোটের আগে তাই ড্যামেজ কন্ট্রোলে মমতাকে মাঠে নামতে হচ্ছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।

  দলের একাংশের দাবি, প্রবীণ নেতারা দল ছাড়তে শুরু করলে সমর্থন টিকিয়ে রাখা শক্ত। তা ভাল করেই জানেন তৃণমূল নেত্রী। তাই দলীয় কর্মীদের মনোবল বাড়াতেই  তাঁরএই সভা । কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের হাতে জেলার দায়িত্ব তুলে দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের একটি অংশ বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে। তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে আদি-নব্য দ্বন্দ্বও শুরু হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা জোড়াফুল শিবিরে রয়েছেন, তাঁদের অভিযোগ, নতুনদের জায়গা করে দিতেই এখন বেশি তৎপরতা চোখে পড়ছে। তার জেরে এতদিন ধরে যাঁরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পরিশ্রম করে গেলেন, ক্রমশ গুরুত্ব হারাচ্ছেন তাঁরা।