ফখরের বিধ্বংসী ইনিংসও জেতাতে ব্যর্থ পাকিস্তানকে

ফখরের বিধ্বংসী ইনিংসও জেতাতে ব্যর্থ পাকিস্তানকে

 দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়ে প্রথম একদিনের ম্যাচে জিতলেও দ্বিতীয় দ্বৈরথে হারের মুখে পড়ল পাকিস্তান। রবিবার জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় ১৭ রানে হারল পাকিস্তান। সিরিজের ফল এখন ১-১। প্রথমে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ৩৪১ রান করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে পাকিস্তানের ইনিংস শেষ হয় ৩২৪-৯। টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন পাক অধিনায়ক বাবর আজ়ম।

শুরুতে আইদেন মাক্রামের (৩৯) উইকেট হারালেও কুইন্টন ডি'কক (৮০) এবং অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা (৯২) পাক বোলিংয়ের বিরুদ্ধে রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। যার ফলে ৩১ ওভারে ১৬৯ রান তুলে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকা। ডি'কক আউট হওয়ার পরে ফান ডার ডুসোঁ ৩৭ বলে ৬০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ৪টি ছয় ও ছ'টি চার দিয়ে। ২৭ বলে তিনটি করে চার ও ছক্কা মেরে ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন ডেভিড মিলারও।

পাকিস্তানের হয়ে ৫৪ রানে তিন উইকেট নেন হ্যারিস রউফ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ইমাম-উল-হকের (৫) উইকেট হারালেও অপর ওপেনার ফখর জ়ামানকে নিয়ে (১৯৩) পাল্টা আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বাবর (৩১)। কিন্তু ১১ ওভারের মাথায় তিনি আউট হতেই ধস নামে পাকিস্তান ইনিংসে। পরবর্তী পাঁচ ওভারের মধ্যেই দ্রুত ৮৫-৪ হয়ে যায় পাকিস্তান। একা কুম্ভ হয়ে লড়াই করেছিলেন ফখর।

৫০তম ওভারের প্রথম বলে তিনি রান আউট হন। ম্যাচের সেরাও তিনি। ১৫৫ বলে তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ১০টি ছক্কা ও ১৮টি চার দিয়ে। এ ছাড়া পাকিস্তানের বাকি ব্যাটসম্যানেরা কেউ মোকাবিলা করতে পারেননি দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিংয়ের। জয়ী দলের অধিনায়ক বাভুমা বলেছেন, ‍'‍'সিরিজে টিকে থাকতে গেলে এই ম্যাচ জিততেই হত। তা শেষ পর্যন্ত হওয়ায় আমি খুশি।'' পাক অধিনায়ক বাবর আবার তাঁর দলের ওপেনার ফখরকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‍'‍'দুরন্ত ইনিংস খেললেও জয় না আসায় খারাপ লাগছে।'' সংক্ষিপ্ত স্কোর: দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৪১-৬ (ডি'কক ৮০, ডুসোঁ ৬০, রউফ ৩-৫৪)। পাকিস্তান ৩২৪-৯ (ফখর ১৯৩, নোখিয়া ৩-৬৩)।