জেনে নিন সামুদ্রিক মাছের উপকারিতা কি কি

জেনে নিন সামুদ্রিক মাছের উপকারিতা কি কি

আজবাংলা-  সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, সামুদ্রিক মাছ হার্ট-অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং উচ্চ-রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়। শিশু-কিশোরদের মানসিক ও শারীরিক গঠনে বেশ ভূমিকা পালন করে। চলুন জেনে নেয়া যাক সামুদ্রিক মাছের অবিশ্বাস্য পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সর্ম্পকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য।

১. কোলেস্টেরল- বেশিরভাগ সামুদ্রিক মাছে ভিটামিন এ ও ডি থাকে, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। তাই হৃদরোগে আক্রান্ত ও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সামুদ্রিক মাছ উপকারী।

২. দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়- সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিট থাকে। আর এই ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রেটিনার কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করার মধ্যে দিয়ে সার্বিকভাবে দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

৩. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ- ডায়াবেটিস রোগীরা খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ রাখতে পারেন। এতে তাদের এ রোগ নিয়ন্ত্রণে সুবিধা হবে।

৪. সহজে হজমযোগ্য- সামুদ্রিক মাছের আমিষ সহজে পরিপাকযোগ্য। এছাড়া দেহের বৃদ্ধি ও ক্ষয়রোধে সাহায্য করে। এটি ভিটামিন বি-এর উৎকৃষ্ট উৎস। তাছাড়া সামুদ্রিক মাছের আমিষ ও তেল দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

৫. মস্তিকের ক্ষমতা বৃদ্ধি- নিউরোলজিস্টদের মতে শরীরে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে থাকলে ব্রেনের বিশেষ কিছু অংশের ক্ষমতা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে ডিমেনশিয়া বা অ্যালঝাইমারের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৬. হৃদরোগ প্রতিরোধে- সামুদ্রিক মাছে থাকা ওমেগা-৩ নামক ফ্যাটি এসিড হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। এই ফ্যাটি এসিড হৃদরোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

৭. জয়েন্ট পেইন সারায়- রিউমাটয়েড আর্থাইটিসে আমাদের অস্থিসন্ধীগুলো ব্যাথাসহ ফুলে যায়। রেগুলার সামুদ্রিক মাছ খেলে রিউমাটয়েড আর্থাইটিসের উপসর্গ কমে আসে।