Ganesh Chaturthi| বিশ্বের অসংখ্যার দেশে বিভিন্ন নামে পূজিত হন গণপতি বাপ্পা

Ganesh Chaturthi| বিশ্বের  অসংখ্যার দেশে বিভিন্ন নামে পূজিত হন গণপতি বাপ্পা

ব্যাপক ছাড়ে  Amazon-এ শপিং করতে এই খানে ক্লিক করুন

ভারতীয় সংস্কৃতি এবং ইতিহাস কেবল ভারতে নয় সারা বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। ভারতে গণে‌শ পুজো নিয়ে সবচেয়ে বেশি উন্মাদনা থাকে। এবারে হয়ত করোনার কারণে কিছুই নেই, কিন্তু প্রতিবার মুম্বইয়ে পা ফেলার স্থান পাওয়া যায় না এই গণেশ পুজোর সময়। সৌভাগ্য, অর্থ ভাগ্যের উন্নতিতে প্রতিবছর ১০৮ নামধারী ‘‌গণপতি বাপ্পা’–র আরাধনা করেন ভারতীয় হিন্দুরা। গণপতি বাপ্পার পুজো শুধু ভারতে হয় না।

বরং গণেশ নানা নামে পূজিত হন বিশ্বের অন্যান্য দেশেও। এই যেমন জাপানে গণেশ 'কাঙ্গিতেন'। বৌদ্ধধর্মের সঙ্গে জড়িত তিনি। তাঁর রূপ অনেকটাই আলাদা। এখানে তাঁর দুই হাত। মুখের গড়নও আলাদা।শ্রীলঙ্কায় আবার গণপতিবাপ্পা 'পিল্লয়ার' নামে খ্যাত। রয়েছে ১৪টি প্রাচীন মন্দির। কলম্বোর কাছেই রয়েছে গণেশ-মন্দির। বৌদ্ধ মন্দিরেও দেখা মেলে তাঁর।  থাইল্যান্ডে বাপ্পার নাম 'ফ্রা ফিকানেত'।

সে দেশের মানুষের বিশ্বাস, ফ্রা ফিকানেত সমস্ত বাধা দূর করে সৌভাগ্য আনেন। শিক্ষা ও কলাক্ষেত্রে সমৃদ্ধির জন্যেও পূজিত হন।  তিব্বতে বৌদ্ধ সংস্কৃতির অংশ লাল গণেশ। সেখানে তাঁর নাম- সগ জি ডাগ পো। তাঁর দশভূজা। কিন্তু আপনি জানেন কী, ভারতে নয়, অন্য এক দেশের নোটে আছে গণেশের ছবি। সেই সরকারি নোটে রয়েছে গণেশের একটি জল ছবি, যা দেখলে আপনি অবাক হয়ে যাবে।

দেশি দূরে যেতে হবে না, ভারতের পাশেই থাকা ইন্দোনেশিয়ার ২০ হাজার টাকার (‌রুপিয়া)‌ নোটে রয়েছে গণেশের জলছবি। পৃথিবীর একমাত্র দেশ, যে দেশের টাকায় রয়েছেন গণেশ। বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়ায়। সে দেশে মুসলিম জনসংখ্যার পরিমাণ ৮৭ শতাংশ। এদিকে হিন্দু জনসংখ্যা মোটে ১.‌৭ শতাংশ। কিন্তু ঐতিহাসিকদের মতে, আধুনিকতর ইসলাম ধর্ম আসার আগে ইন্দোনেশিয়ায় বিপুল জনপ্রিয়তা ছিল হিন্দু ধর্মের। তখন দেশের অনেক মানুষই হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিলেন।

সেই কারণে ইন্দোনেশিয়ায় এখনও অনেক ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দির দেখতে পাওয়া যায়। যেটি নিয়মিত সংরক্ষণ করেন সেখানকার মানুষেরা।  আফ্রিকার ঘানায় প্রসিদ্ধ গণেশ। আফ্রিকানরা পুজো করেন। এর পাশাপাশি মরিসাস, কানাডা, জার্মানি, সুরিনামেও পূজিত হন বাপ্পা। ভক্তদের বিশ্বাস, যে নামেই ডাকুন না কেন তিনি বিঘ্নহর্তা।