রসুন ব্যবহার করছেন ব্রণ দূর করতে? তার আগে জেনে নিন এই সতর্কবাণী

রসুন ব্যবহার করছেন ব্রণ দূর করতে? তার আগে জেনে নিন এই সতর্কবাণী

আজবাংলা    মুখে ১টা ব্রণ বা একনে দেখলেই খুব ব্যস্ত হয়ে যাই আমরা কি করে এর হাত থেকে মুক্তি পাব। আঙ্গুল অথবা নখ দিয়ে খুঁচিয়ে ব্রণের চারপাশ লাল করে ফেলি। কতরকম ঘরোয়া টোটকা পদ্ধতি অবলম্বণ করে ব্রণের উপর এটা সেটা অনেক কিছু মাখি। ইদানিং অনেকে বলে পেস্ট, আদা/রসুনের রস মেখে বসে থাকতে।

কিন্তু এগুলো ব্যবহারে হিতে বিপরীত হয়ে যেতে পারে। এখন অনেকেই ইউটিউব ঘেঁটে দেখেন যে ব্রণের উপর আদা বা রসুনের টুকরা ঘষলে ব্রণ মিলিয়ে যায়। এমন অনেকেই আছে যারা রাতেই ঘুমানোর আগে ব্রণের উপর রসুনের রস লাগিয়ে ঘুমিয়ে পরেন। অনেকের সেক্ষেত্রে জ্বালা জ্বালা করে, কিন্তু তাও তাঁরা পাত্তা দেয়না।এরফলে রেজাল্ট বেরোয় অন্যকিছু। অনেকেই সকাল থেকেই উঠেই আঁতকে উঠে নিজেকে দেখে। কারন তারা দেখে যে ওই বিশেষ রসুনের পেস্ট লাগানো জায়গাটা একবারে পুড়ে গেছে। তার অবশ্য আলাদা কারন আছে। এই প্রসঙ্গে ডারমাটোলজিস্টরা জানান যে, সব স্কিনের ধরন এক নয়।

অর্থাৎ স্কিনের ধরণ না বুঝেই রসুনের মতো স্ট্রং, ঝাঁঝালো কিছু লাগাতে গেলে বিপদ। যাদের ত্বকে সহ্য হ্যনা তাদের গালে সেকেন্ড ডিগ্রি বার্ন হয়ে যায়। এর মানে হল ওনার স্কিনের এপিডারমিস এবং ডারমিস লেয়ারটা পুড়ে গিয়েছে। যার ফলে স্কিন পুড়ে ফোস্কা পড়ে গিয়েছে। এভাবে পুড়লে চামড়া কুঁচকে কালো হয়ে থাকে।এখন কথা হচ্ছে, তাহলে কেন বিভিন্ন ইউটিউব ব্লগাররা এসব টিপস দেয়? আসলে একেক জনের স্কিনের ধরণ একেক রকম। কারো স্কিন খুব সহনশীল, অনেক এক্সপেরিমেন্ট করলেও কিছু যায় আসে না। কারো স্কিন আবার খুবি সেনসিটিভ। তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে মনে, তাহলে কি স্কিনে রসুন লাগাবেন না?

রসুনে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমাটরি উপাদান যার ফলে কারো কারো স্কিনে এটা কাজ করে। কিন্তু হাইপার-সেন্সিটিভ স্কিনের জন্য এটা খুবই ভয়ংকর সাইড-ইফেক্ট এর কারণ হতে পারে। রসুনে আছে আলিসিন (Allicin) যা ত্বকে সরাসরি লাগালে চামড়া পুড়ে ফোস্কা পড়ে যেতে পারে।এছাড়াও একনের দাগের উপর রসুনের রস লাগালে সেখানে হাইপার-পিগমেন্টেশন অর্থাৎ জায়গাটা কালো হয়ে যেতে পারে। এবার আপনিই ডিসিশন নিন এত বড় রিস্ক নেবেন কিনা। তাই এইপ্রসঙ্গে এইটুকুই বলা যায়, নিজের স্কিনের ধরন বুঝুন আগে। ঘরোয়া পদ্ধতি হিসাবে নিমপাতা, বরফ, মুলতানি মাটি দিতেই পারেন। তবে, রসুন একেবারেই না।