সম্পদ বৃদ্ধিতে জেফ বেজোস, এলন মাস্ককে পেছনে ফেললেন গৌতম আদানি

সম্পদ বৃদ্ধিতে জেফ বেজোস, এলন মাস্ককে পেছনে ফেললেন গৌতম আদানি

এক বছরে সম্পদ বৃদ্ধিতে বিশ্বের অন্য ধনকুবেরদের পেছনে ফেললেন ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানি (Gautam Adani)। গত এক বছরে তাঁর মতো সম্পত্তির বৃদ্ধি বিশ্বের আর কোনও ধনকুবের করে উঠতে পারেননি। ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার ইনডেক্স অনুসারে গত এক বছরে আদানির সম্পত্তির পরিমাণ ১৬.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে।

তিনি পেছনে ফেলে দিয়েছেন জেফ বেজোস (Jeff Bezos) এবং এলন মাস্ককেও (Elon Musk)। বন্দর থেকে বিদ্যুত্‍, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ রয়েছে আদ্যপান্ত মৃদুভাষী গৌতম আদানির। এবছর একটি বাদে আদানি গোষ্ঠীর সবকটি শেয়ারের মূল্য গত এক বছরে ৫০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। গত এক বছরে আদানির সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী তথা এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি মুকেশ অম্বানির রিলায়েন্সের সম্পদ ৮.১ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।

সেখানে আদানির সম্পত্তির পরিমাণ বেড়েছে ৩৩.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গৌতম অদানি তাঁর ব্যবসাকে দ্রুত বাড়িয়েছেন। ভারতে বন্দর, বিমানবন্দর, ডেটা সেন্টার এবং কয়লা খনি যুক্ত করেছেন তালিকা। অস্ট্রেলিয়ার বিতর্কিত কার্মাইকেল কয়লা খনিও নিয়েছে এই সংস্থা। এনকা অ্যাডভাইজারি সার্ভিসেসের প্রতিষ্ঠাতা ও কর্তা সুনীল চন্দিরমণি বলেন, "আদানি ধারাবাহিকভাবে সব ক্ষেত্রেই বিনিয়োগ করছে, যেখানে বাজারে পতন সত্ত্বেও খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

এখন ডেটা সেন্টার ব্যবসায় প্রবেশের সঙ্গে তারা বুঝিয়ে দিচ্ছে যে গ্রুপ এখন প্রযুক্তি ক্ষেত্রে প্রবেশ করতে তৈরি।" ভারতে ডেটা সেন্টার সক্ষমতা ১ গিগাওয়াট করার জন্য গত মাসে আদানি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এক বছরে আদানি টোটাল গ্যাসের ব্যবসা বৃদ্ধি পেয়েছে ৯৬ শতাংশ। মূল সংস্থা আদানি এন্টারপ্রাইজের বৃদ্ধি ৯০ শতাংশ, আদানি ট্রান্সমিশনের বৃদ্ধি ৭৯ শতাংশ, আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকনমিক জোন লিমিটেডের বৃদ্ধির হার ৫২ শতাংশ। আদানি গ্রিন এনার্জির বৃদ্ধি ১২ শতাংশ।