হারের পোস্টমর্টেম করতে বৈঠকে গেরুয়া শিবির

হারের পোস্টমর্টেম করতে  বৈঠকে গেরুয়া শিবির

স্বপ্ন ছিল ২০০-র বেশি আসনের। কিন্তু ৭৭-এ গিয়ে থামতে হয় বিজেপিকে। নানা ঘটনার অভিঘাতে যা এখন কমে ৭৪-এ গিয়ে ঠেকেছে। ২০১৯ সালের লোকসভায় বিজেপির যা ফলাফল হয়েছিল, তার সঙ্গে তুলনা করলে একে এক কথায় ভরাডুবি বলাই যায়। কিন্তু কেন এমনটা হল? এরই ময়নাতদন্ত করতে বৃহস্পতিবার হেস্টিংসের দফতরে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। রাজ্যের প্রথম সারির বিজেপি নেতাদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নেতারাও এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

বিজেপি সূত্রে খবর, আগামিকালের বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন গেরুয়া শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশ। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বিজেপির রাজ্য কমিটির সকল সদস্য। শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ-সহ তামাম প্রথম সারির বিজেপি নেতারাও হাজির থাকবেন বৈঠকে। কেন গেরুয়া রথ বাংলার মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ল, সেই কারণ খোঁজার চেষ্টা করা হবে এই বৈঠকের মাধ্যমে। কী ভাবে এই পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব? সেই বিষয়টি নিয়েও কালকের বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন পরবর্তী ফলাফল নিয়ে পর্যালোচনা করতে চলতি মাসের দোরগোড়ায় একটি ভার্চুয়াল বৈঠকের আয়োজন করেছিল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। দু’দিন ব্যাপী এই বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন বিজেপির সমস্ত সাধারণ সম্পাদক-সহ সংগঠনের সর্বেসর্বা জেপি নড্ডা। এরপর বৈঠকে উঠে আসা বিষয়বস্তু সম্পর্কে আলোচনা করতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও দেখা করেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি। আরও পড়ুন: ধনখড়ের সফরনামা: প্রথম দিন ৩ সাক্ষাত্‍, দ্বিতীয়ায় কী অপেক্ষা করছে?

দিল্লিতে নজর তৃণমূলের প্রধানমন্ত্রীর তরফে বার্তা দেওয়া হয়, রাজ্য নেতৃত্বকে নিজেকেই বুঝতে হবে ঠিক কোথায় ভুল হচ্ছে। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীর সেই বার্তা নিয়ে এ বার রাজ্যে আসছেন শিবপ্রকাশ। এই প্রসঙ্গেই মনে করিয়ে দেওয়া যায়, দিনকয়েক আগে বিজেপি নেতা তথাগত রায় একটি টুইটে ‘কে-এস-এ’-কে নিশানায় নিয়েছিলেন। এই ‘এস’ ছিলেন শিবপ্রকাশ। ফলে দল যে তথাগতর মন্তব্যকে কোনও গুরুত্ব দিচ্ছে না, সেটাও কার্যত স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।