ভূতেরা দূর করবে আপনার মানসিক অবসাদ। জেনে নিন কিভাবে

ভূতেরা দূর করবে আপনার মানসিক অবসাদ। জেনে নিন কিভাবে

আজবাংলা   মারন ভাইরাস করোনার প্রকোপে জীবন হয়ে গেছে একঘেয়ে। এর উপর শুরু হয়েছে লকডাউনের ঘনঘটা। মানুষের জীবনে নেমে এসেছে অন্ধকার, মানসিক দুশ্চিন্তা ইত্যাদি। জীবন হয়ে গেছে খাঁচার মত বন্দি। এরইমাঝে যদি একটু হাঁচি, কাশি বা গলায় বাথ্যার মত যদি একটা উপসর্গ দেখা দিল, তাহলে তো মন একেবারে করোনাতঙ্কে জুজু হয়ে উঠে।

আপনার ক্রমশ মনে হতে থাকবে শরীরে করোনা বুঝি এসেই গেল। কিন্তু দু থেকে তিনদিন পরে জানা যাবে হয়তো আপনার আশঙ্কা ছিল একেবারেই ভিত্তিহীন। কিন্তু ততদিনে মানসিকভাবে আপনি হয়ে গিয়েছেন একজন করোনা রোগী। এদিকে গৃহবন্দি জীবনের ফলেও বেড়েছে আপনার মানসিক অবসাদও। তবে এখন থেকে আর চিন্তার কোন কারন নেই, কারণ আপনার মানসিক ক্লান্তি দূর করতে এগিয়ে আসবে ভূতেরা। অবাক লাগলেও ঘটনাটি কিন্তু একেবারে সত্যি? আসুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে।

জাপানের কোয়ারাগারাসেটাই সংস্থার উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে ‘স্কেয়ার স্কোয়াড’। শুধুমাত্র করোনার পরিস্থিতিতে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির কারনে এই বন্দোবস্ত করা হয়েছে। ওখানকার সংস্থা মারফৎ খবর, অন্ধকার ঘরের মধ্যে কফিনের মতো দেখতে ছ’ফুটের বেশি লম্বা একটি বাক্স তৈরি করা হয়েছে। আপনাকে ওই বাক্সের ভিতর গিয়ে শুয়ে পড়তে হবে। এবার ওই বাক্সের ভিতরে ঢুকলে দেখতে পারবেন ভূতের সিনেমা, এছাড়া আপনার আশপাশ দিয়ে ঘুরে বেড়াবে ভূত। তারা আপনাকে ভয় দেখাবে। কখনও কখনও আপনি শরীরে তাদের স্পর্শ অনুভব করতে পারবেন। ঠিক এভাবে ১৫ মিনিট পর্যন্ত আপনি ওই কফিনবন্দির মধ্যে থাকতে পারবেন।

ওই সংস্থার কো-অর্ডিনেটর কেন্টা ইওয়ানা জানিয়েছেন, “ পনেরো মিনিটের জন্য আপনি বাইরের জগতের কথা একেবারেই ভুলে যাবেন। আর এভাবেই করোনা পরিস্থিতিতে তৈরি হওয়া মানসিক চাপও দূর হবে।” এরফলে বর্তমানে জাপানের ‘স্কেয়ার স্কোয়াডে’ ভিড়ও জমছে ভালই। মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য কফিনবন্দি জীবন উপভোগ করতে আগ্রহী সকলেই। তাঁদের মতে, এই দমবন্ধ করা পরিস্থিতিতে ‘স্কেয়ার স্কোয়াড’ সকলেরই মন জয় করবে। এই করোনা পরিস্থিতিতে ‘স্কেয়ার স্কোয়াড’ই মানসিক অবসাদগ্রস্তদের নতুন করে বাঁচার জন্য এক দিশা দেখাবে।