নদীয়ায় চূর্ণী তে ঝাঁপ দেওয়া দিদিকে বাঁচাতে গিয়ে, সলিল সমাধি ভাইয়ের!

নদীয়ায়  চূর্ণী তে ঝাঁপ দেওয়া দিদিকে বাঁচাতে গিয়ে, সলিল সমাধি ভাইয়ের!

রানাঘাট      দিদি কে বাচাতে গিয়ে চুর্নীতে তলিয়ে গেলো ভাই  আজ রানাঘাট থানার অন্তর্গত রানাঘাট পৌরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা অশোক রায়ের পুত্র বিশ্বজিৎ রায় । সুত্রে জানা যায় দিদি ও জামাই বাবুর পারিবারিক অশান্তির জেরে দিদি আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় চূর্ণীতে ঝাঁপ দিয়ে,

এবং সেই সময় তার ভাই সেখানে উপস্থিত হয়,ভাই কে দেখেই দিদি রানাঘাট ৩৪ নং জাতীয় সড়ক যা বর্তমানে ১২ নং জাতীয় সড়ক নামে পরিচিত, ঐ স্থানেই ব্রীজ থেকে লাফ দেয় চুর্নী নদিতে।

এবং দিদি  কে বাচাতে ভাই কিছুটা ঘুরে নদির পাড় ধরে দৌড়ে অবশেষে দিদিকে বাচাতে সেও লাফ দেয় নদীতে, দিদিকে স্থানীয় কিছু মানুষ যারা নদিতে স্নান করতে আসে তারা বাঁচাতে সক্ষম হলেও জলের পাকে তলিয়ে যায় ভাই বিশ্বজিৎ রায়।

বেশ কিছুক্ষন রানাঘাট থানার পক্ষ থেকে ডুবুরি নামিয়ে খোজা হয় বিশ্বজিৎ রায়ের দেহ।অবশেষে আনুমানিক সন্ধ্যে  ৫:৪৫ টা নাগাত বিশ্বজিৎ রায়ের মৃত দেহ উদ্ধার করা হয় রানাঘাট চুর্নী নদি থেকে।

দিদি প্রাণে বাঁচলেও ভাইয়ের মৃত্যুতে নিজের দোষের কথা স্বীকার করে মানসিকভাবে ভারসাম্য হারিয়েছেন তিনি।