হরিশ্চন্দ্রপুরে সরকারের নির্দেশকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে দোকান খোলা, রাস্তায় জমায়েত

হরিশ্চন্দ্রপুরে সরকারের নির্দেশকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে দোকান খোলা, রাস্তায় জমায়েত

 তনুজ জৈন     হরিশচন্দ্রপুর  :     করোনার করাল গ্রাসে পুরো বিশ্ব। দিনদিন বেড়েই চলেছে এই সর্বনাশী করোনার দাপট। ক্রমশ উর্ধ্বমুখী হচ্ছে আক্রান্তের সংখ্যা আর তার সাথে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য জুড়ে আংশিক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। প্রতিটা জেলার অবস্থাই খুব খারাপ। তার মধ্যে অন্যতম হলো মালদহ। মালদহে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এবার রেকর্ড ছাড়িয়েছে। যে সব জায়গায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা উর্দ্ধমুখী তার মধ্যে অন্যতম হল হরিশচন্দ্রপুর।

কিন্তু এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতেও সরকারি নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে হরিশ্চন্দ্রপুরে চলছে বাজার হাট থেকে শুরু করে সমস্ত ধরণের কাজ। এমনকি অধিকাংশের মুখেই নেই কোনো মাস্ক। এমতাবস্থায় যেখানে প্রশাসনের তৎপর হওয়া উচিত সেখানে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ঢিল ছোড়া দূরত্বে মানুষের ঢল। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হচ্ছে রেস্তোরাঁ, বিউটি পার্লার, স্পা। আজ থেকেই বন্ধ জিম, স্যুইমিং পুল, স্পোর্টস কমপ্লেক্স।

সকাল ৭ থেকে ১০ টা ও বিকাল ৩ টা থেকে ৫ বাজার হাট খোলা থাকবে। ভয়াবহ পরিস্থিতি, রাজ্যে অব্যাহত রেকর্ড ভাঙা সংক্রমণ। কিন্তু সে সবকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রমরমিয়ে চলছে বাজার হাট। এইদিন সাংবাদিকরা এক পথযাত্রীকে মাস্ক ছাড়া অবস্থায় ঘোরাঘুরি করতে দেখে মাস্কের কথা জিজ্ঞেস করতে তিনি উত্তর দেন, "মাস্ক আমি বাড়িতে ভুলে গেছি।" স্থানীয় এক দোকানদারকে লকডাউনের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে বলেন, "আমি চাঁচলে ছিলাম।

যখন লকডাউনের আলোচনা করেছে তখন আমি শুনিনি।" এরকম ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে বাঁচার একটাই উপায় হল, মানুষের সচেতনতা। সেখানে দেখা গেল সচেতনতা তো দূরের কথা কোনো রকম বিধিনিষেধ মানতেই রাজি নয় সাধারণ মানুষ। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, ভিড় বা জমায়েত এলাকায় প্রবেশ না করা কিন্তু সেই সবে তোয়াক্কা না করেই সাধারণ মানুষ নিজের মতো করে ভিড়ের মধ্যে অবাধ বিচরণ করছেন। শুধু তাই নয়, লকডাউনকে অগ্রাহ্য করেও চলছে অবাধ যাতায়াত। উল্লেখ্য,লকডাউনে কেবলমাত্র ওষুধ ও অত্যাবশকীয় পণ্যের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে।তাই সংশ্লিষ্ট দোকানগুলি সকাল থেকে খোলা থাকায় বিভিন্ন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।