জেনে নিন চাণক্যে নীতি অনুযায়ী প্রকৃত সুখী হওয়ার সূত্রগুলি কি কি

জেনে নিন চাণক্যে নীতি অনুযায়ী প্রকৃত সুখী হওয়ার সূত্রগুলি কি কি

আজবাংলা  তিনি ছিলেন প্রাচীন ভারতবর্ষের অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক। এরসাথে অর্থশাস্ত্র গ্রন্থের রচয়িতাও ছিলেন। পাশাপাশি, চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজ্জসভার প্রধান উপদেষ্টাও ছিলেন। তিনি হলেন মহান চাণক্যে। প্রায় আড়াই বছর আগে লিখে যাওয়া তাঁর বিখ্যাত নীতিগুলি আজকের দিনে দাঁড়িয়েও সমান জনপ্রিয়। আজকের আলোচনায় জেনে নিন, মানবজীবনে প্রকৃত সুখ পেতে হলে চাণক্যের কোন নীতি পালন করা উচিত।

চাণক্য বলে গেছেন, আর্থিক কষ্ট ও বিপর্যয়ের কথা সবার সামনে না আনতে বা সবার সামনে আলোচনা করা উচিত না। এক্ষেত্রে আশেপাশের লোকে সমবেদনা জানায় ঠিকই, কিন্তু তারা এর পাশাপাশি সহানুভূতির পাত্রও মনে করে। আপনি যদি অধস্তনের কাছে অপমানিত হন সেক্ষেত্রে, পাল্টা জবাব না দিয়ে সেই ব্যাপারটি চুপচাপ মেনে নিতে বলেছেন চাণক্য। এই অপমানটুকু শুধু স্মৃতিতে মধ্যে রাখতে। এর দ্বারা শিক্ষা নিতে। এর পাশাপাশি তিনি বলেছেন, অধস্তনের সঙ্গে লড়াইয়ে নামলে অপমান আরও বেড়ে যায়। চাণক্য মনে করেন, ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে জনসমক্ষে বেশি কথা একদম না বলতে। এক্ষেত্রে নিজের অজান্তেই অন্যের হাসির পাত্র হয়ে উঠতে হয়। চাণক্যের পরামর্শ অনুযায়ী, নিজের স্ত্রীর ব্যাপারে বুদ্ধিমান মানুষ কখনো ভুলেও বাইরের লোকের সামনে তাঁর বাপারে খারাপ কথা বলবেন না।

এরই পাশাপাশি বিবাহের জন্য কিছু নীতি অবলম্বন করার কথা বলেছেন চাণক্য। চাণক্য বলছেন, কোন নারীর রূপ নিয়ে বিন্দুমাত্র চিন্তা করতে নয়। তাঁর মত অনুসারে, সেই নারীর মনের অন্তরের সন্ধান নিতে হবে। যাঁর অন্তরাত্মা সুন্দর হবে, তিনিই হয়ে উঠবেন প্রকৃত সুযোগ্য পাত্রী।  সুন্দরী অথচ ছায়াছন্ন নারীর সংসর্গ থেকে দূরে থাকতে বলেছেন চাণক্য। রূঢ়ভাষী একেবারেই পছন্দ নয় চাণক্যের। সেক্ষেত্রে, বিবাহ-বিষয়ে কটূকথা বলে এমন নারীর থেকে দূরে থাকতেই বলেছেন চাণক্য। তবে, হবু স্ত্রীর বিশ্বাসযোগ্যতা, সত্যবাদিতা সম্পর্কে সুনিশ্চিত হতে বলেন চাণক্য।