নিম্নচাপের জেরে অতিভারী বর্ষণের সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে

নিম্নচাপের জেরে অতিভারী বর্ষণের সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে

নিম্নচাপের চোখ রাঙানি! অবশেষে বৃষ্টি পেতে চলেছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি। আগামী চার দিন দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় রয়েছে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা, জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে শহর কলকাতাতেও (Kolkata Weather)।  চলতি বছর দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় নয় মৌসুমী বায়ু।

তার অন্যতম কারণ হিসেবে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছিলেন, কোনও নিম্নচাপ বা ঘূর্ণাবর্ত ছিল না যা বর্ষা পেতে সাহায্য করবে। কিন্তু, অবশেষে ওড়িশা অন্ধ্রউপকূলে তৈরি হয়েছেে একটি নিম্নচাপ। এরফলেই সক্রিয় হবে বর্ষা। আগামী পাঁচদিন দক্ষিণবঙ্গে মধ্যে দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় রয়েছে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।

এছাড়াও বৃষ্টি পেতে পারে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলাগুলিও।  গত কয়েকদিন ধরে তিলোত্তমাতে ছিটেফোঁটা বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সেভাবে বৃৃষ্টি পায়নি কলকাতা। কিন্তু, আগামী চারদিন শহরে রয়েছে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা, জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সেখানে পড়বে বৃষ্টিপাতের প্রভাব। রবিবার ছুটির দিনেও কলকাতার তাপমাত্রার পারদ থাকবে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী।

সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৩ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৫ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। এদিন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ রয়েছে সর্বাধিক ৯২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৫২ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ০.৪ মিলিমিটার।  দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি অবশেষে বৃষ্টি পেতে চলছে হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার পাশাপাশি অন্যান্য জেলাগুলিতেও ছিটেফোঁটা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সামান্য বাড়তে পারে তাপমাত্রার পারদ। ফলে গরমে বাড়বে অস্বস্তি।

এছাড়াও বজায় থাকবে আপেক্ষিক আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও।  উত্তরবঙ্গের কিছু জেলায় আজ ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এরমধ্যে জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এছাড়াও দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহারও পেতে পারে বৃষ্টি। চলতি মরশুমে উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। সেখানে সময়ের আগেই প্রবেশ করেছিল বর্ষা। হয়েছিল ভারী বৃষ্টিপাতও।