নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় সিবিআই-কে তদন্তের নির্দেশ দিল হাই কোর্ট

নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় সিবিআই-কে তদন্তের নির্দেশ দিল হাই কোর্ট

 

নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তোলপাড় গোটা রাজ্য। দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে দুই মন্ত্রীকে। এবার আরও এক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় সিবিআই-কে তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। প্যানেলে নীচের দিকে নাম থাকা সত্ত্বেও সিদ্দিক গাজী নামে এক ব্যক্তি চাকরি পেয়েছিলেন। সম্প্রতি তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে আদালত।

এবার সেই মামলাতেও দেওয়া হল সিবিআই তদন্তের নির্দেশ। যাঁরা চাকরি পাননি, অসন্তুষ্ট হয়েছেন তাঁদের জন্য সুপার নিউমারিক পোষ্ট তৈরি করা হচ্ছে, এটা আসলে একটা অসুখকে ঢাকতে আর একটা অসুখকে ডেকে আনা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, এই সব নিয়োগ করার সময় নতুন কোনও দুর্নীতি হবে না,

সেই প্রতিশ্রুতি কে দেবেন? রাজ্যের দাবি, প্রার্থীদের দাবি ন্যায্য হলে তাঁদের চাকরি দেওয়ার জন্য সুপার নিউমারিক পোষ্ট তৈরি করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সেই নতুন পদে যাঁরা যোগ্য তাঁরা চাকরি পাবেন। বুধবার রাজ্যের এই সিদ্ধান্ত আদালতকে জানিয়েছেন সরকারি আইনজীবী সম্রাট সেন।

যে প্রশ্ন বারবার উঠছিল, কীভাবে প্যানেল শেষ হওয়ার পর নতুন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হচ্ছে, সেটাই আরেকবার স্পষ্ট করা হল রাজ্যের পক্ষ থেকে। অনুপ গুপ্তের করা মামলায় সিদ্দিক গাজির নিয়োগ নিয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। সিদ্দিক গাজির মামলার যাবতীয় নথি সিবিআইকে পাঠিয়ে তদন্তে সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।

সম্প্রতি একটি মামলায় অভিযোগ ওঠে, প্যানেলে ২০০ নম্বরে নাম থাকা সত্ত্বেও চাকরি পাননি এক চাকরি প্রার্থী। অথচ ২৭৫ নম্বরে নাম থাকার পরও চাকরি পেয়েছেন সিদ্দিক গাজী নামে এক ব্যক্তি। নবম-দশম শ্রেনির গণিতের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বেনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সেই মামলার শুনানির পর সোমবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দেন বিচারপতি।