হুগলি জেলা | হোগলা গাছ থেকেই এই জেলার নাম হয়েছে Hooghly

হুগলি জেলা | হোগলা গাছ থেকেই  এই জেলার নাম হয়েছে Hooghly

ব্যাপক ছাড়ে  Amazon-এ শপিং করতে এই খানে ক্লিক করুন

পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম একটি জেলা হল হুগলি Hooghly । চুঁচুড়া শহরে এই জেলার সদর দফতর অবস্থিত। হুগলি জেলার নামকরণ করা হয়েছে এই জেলার অন্যতম প্রধান শহর হুগলির নামানুসারে। ইতিহাসবিদ যদুনাথ সরকারের মতে, ষোড়শ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে পর্তুগিজ বণিকেরা সপ্তগ্রাম থেকে সরে এসে অধুনা হুগলি অঞ্চলে তাদের পণ্য মজুত করার জন্য যে গুদাম বা গোলা তৈরি করেছিল, সেই "গোলা" শব্দ থেকেই "হুগলি" নামের উৎপত্তি।  সেই সূত্রে "হুগলি" নামটির সঙ্গে কোনও দুর্গের সম্পর্ক থাকলেও থাকতে পারে বলে যদুনাথ সরকার মনে করেন।

তাঁর মতে, পর্তুগিজদের ভাষায় "ও-গোলিম" বা "ও-গোলি" কথাটিই বাঙালিদের উচ্চারণে "হুগলি"-তে পরিণত হয়েছিল। শম্ভুচন্দ্র দে অবশ্য এই মত স্বীকার করেননি। তিনি বলেছেন, এই অঞ্চলে হুগলি নদীর তীরে প্রচুর হোগলা গাছ ছিল। হোগলা গাছ থেকেই নদী ও এলাকার নামকরণ হয় "হুগলি" এবং এই হুগলি নামটিই বিকৃত হয়ে "গোলিন" বা "গোলিম" হয়েছিল। প্রমাণস্বরূপ তিনি বলেন, আবুল ফজলের আইন-ই-আকবরি গ্রন্থে "হুগলি" নামটির সুস্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায় এবং উক্ত গ্রন্থে বলা হয়েছে যে, সাতগাঁও (সপ্তগ্রাম) ও হুগলি বন্দর দু’টির ব্যবধান ছিল মাত্র আধ ক্রোশ এবং দুই বন্দরই ছিল বিদেশিদের প্রভাবাধীন।

আইন-ই-আকবরি-র অল্পকাল পরে লেখা পর্তুগিজ লেখক ফারিয়া সোউজারের গ্রন্থে "গোলিন" নামটি পাওয়া যায়। ১৬২০ সালে হিউগেস ও পার্কারের পত্রাবলিতে হুগলিকে "গোল্লিন" নামে অভিহিত করা হয়েছে। আবার ১৬৬০ সালে ওলন্দাজ লেখক মাথুজ ফান দেন ব্রুক এই অঞ্চলটিকে "Oegli" ও "Hoegli" নামে উল্লেখ করেছেন, যা বাংলা "হুগলি" নামটির প্রায় অনুরূপ। এই জন্য শম্ভুচন্দ্র মনে করতেন, "হুগলি" নামটি কোনও বিদেশির দেওয়া নাম নয়। অন্য মতে, পর্তুগিজেরা হুগলি নদীর পশ্চিম তীরে বর্তমান হুগলি সংশোধনাগার ও বাবুগঞ্জের মধ্যবর্তী অঞ্চলে গোলঘাট এলাকায় দুর্গ নির্মাণ করে এবং গোলঘাট দুর্গের নাম থেকেই "হুগলি" নামটির উৎপত্তি।

১৭৯৫ সালে ইংরেজরা প্রশাসনিক কারণে Hooghly  হুগলি জেলা তৈরি করে ছিল। হাওড়া তখনও হুগলি জেলার অংশ ছিল। এই জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে হাওড়া স্বতন্ত্র জেলা হিসাবে গঠিত হয়েছিল ১৮৪৩ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি। ১৮৭২ সালের ১৭ জুন ঘাটাল ও চন্দ্রকোনা থানা মেদিনীপুরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। প্রাচীনকালে সুহ্ম বা দক্ষিণ রাঢ়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল হুগলি জেলা। নদী, খাল, বিল অধ্যুষিত এই অঞ্চল ছিল কৈবর্ত ও বাগদিদের আবাসস্থল।

এদের উল্লেখ রয়েছে রামায়ণ, মহাভারত, মনুসংহিতা এবং পঞ্চম অশোকস্তম্ভ লিপিতে। মৎস্য শিকারই ছিল এদের প্রধান জীবিকা।১৪৯৫ সালে বিপ্রদাস পিল্লাই রচিত মনসামঙ্গল কাব্যে হুগলি নামের উল্লেখ দেখা যায়। এর থেকে বোঝা যায় জেলার নামকরণ বিদেশীকৃত নয়। কারণ এই রচনা কালের ২২ বছর পর পর্তুগিজরা বাংলায় প্রবেশ করেছিল। ১৫৯৮ সালে রচিত আবুল ফজলের আইন-ই-আকবরি গ্রন্থেও হুগলি নামের স্পষ্ট উল্লেখ আছে। ত্রিবেনীতে অবস্থিত জাফর খাঁর মসজিদ ও তার মাদ্রাসায় উল্লিখিত প্রতিষ্ঠা তারিখ থেকে অনুমান করা যায় ১২৯৮ সালে জেলার উত্তারংশ মুসলমান শাসনভুক্ত হয়েছিল।

১৫১৭ সালে পর্তুগিজরা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বঙ্গদেশে প্রবেশ করে। ১৫৩৬ সালে সুলতান মাহমুদ শাহের দেওয়া সনদের বলে পর্তুগিজরা ব্যবসা শুরু করে সপ্তগ্রামে। ষোড়শ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে পলি জমে সরস্বতী নদীর নাব্যতা নষ্ট হয়ে ভাগীরথীর খাতে এই প্রবাহ পরিবর্তিত হলে পর্তুগিজরা ভাগীরথীর তীরে হুগলি বন্দর গড়ে তোলে। ১৮২৫ সালে ওলন্দাজ ও ১৬৩৮ ইংরেজ এই বন্দরে ব্যবসা শুরু করেছিল। ওলন্দাজরা পরে চুঁচুড়ার দখল পায় নবাবদের আনুকূল্যে। ১৮২৫ সালের ৭ মে চুঁচুড়া ইংরেজদের দখলে আসে। চুঁচুড়ার নিকটবর্তী চন্দননগর ছিল ফরাসিদের দখলে।

হুগলি জেলা চারটি মহকুমায় বিভক্ত: চুঁচুড়া সদর, চন্দননগর, শ্রীরামপুর ও আরামবাগ।

চুঁচুড়া মহকুমায়  সদর দপ্তর হুগলি-চুঁচুড়া। এই মহকুমা ৫ টি পঞ্চায়েত সমিতি, ৯ টি থানা, ৫ টি কমিউনিটি ডেভলপমেন্ট ব্লক,  ৬৯ টি গ্রাম পঞ্চায়েত, ৭৫৬ মৌজা, ৭৪১ জনবসতিপূর্ণ গ্রাম, ২ টি পৌরসভা, ১ টি প্রবৃদ্ধি এবং ২৩ শুমারি শহর রয়েছে। পৌরসভা হুগলি চুঁচুড়া পৌরসভা এবং বাঁশবেরিয়া পৌরসভা। আদমশুমারির শহরগুলি হল: কোলা, হংসঘর, রঘুনাথপুর, মধুসূদনপুর, আমোদঘাটা, আলিখোজা, শঙ্খনগর, চক ধর্মপুর, সিমলা, বাধাগাছি, মিরধঙ্গ,কেওটা,  বানসবেড়িয়া, মানুশপুর, কুলিহাঁদা, কোদালিয়া, নলডাঙ্গা,  শ্রীপুর, পান্ধজুরা ।

 চন্দননগর মহকুমার সদর দপ্তর হল  চন্দননগর ।এই  মহকুমায় ৫ টি থানা, ৩ টি কমিউনিটি ডেভলপমেন্ট ব্লক, ৩ টি পঞ্চায়েত সমিতি, ৪১ টি গ্রাম পঞ্চায়েত, ৩৫২ মৌজা, ৩৩৯ জন জনবহুল গ্রাম, ১ টি পৌরসভা, ৩ টি পৌরসভা এবং ৭টি আদমশুমারি শহর রয়েছে । একক পৌর কর্পোরেশন হলেন চন্দনারনগর পৌর কর্পোরেশন । পৌরসভাগুলি হলেন তারাকেশ্বর পৌরসভা, ভদ্রেশ্বর পৌরসভা এবং চ্যাম্পদানি পৌরসভা । সেন্সাস টাউন হল  সিঙ্গুর, নাসিবপুর, জগতনগর, বরগাছিয়া , বলরামবাটি , বারুইপাড়া এবং বোড়াই ।  

 শ্রীরামপুর মহকুমাটির সদর দপ্তর অবস্থিত শ্রীরামপুর শহরে। এই মহকুমায়  চণ্ডীতলা-১, চণ্ডীতলা-২ , জাঙ্গিপাড়া এবং শ্রীরামপুর-উত্তরপাড়া এই চারটি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক রয়েছে। এছাড়া শ্রীরামপুর পৌরসংস্থা, উত্তরপাড়া কোতরং পৌরসভা, কোন্নগর পৌরসভা, রিষড়া পৌরসভা, বৈদ্যবাটি পৌরসভা এবং ডানকুনি পৌরসভা নিয়ে গঠিত।   বারিঝাটি, গরালগাছা, কৃষ্ণপুর, মৃগালা, রঘুনাথপুর,দক্ষিণ রাজ্যধরপুর, বামুনারি, রিষড়া, নবগ্রাম কলোনি, নবাবপুর , পূর্ব তাজপুর, কানাইপুর, খারসরাই, বেগমপুর, চিকরান্ড, পায়রাগাছা, মনোহরপুর, মশাট, গঙ্গাধরপুর, জঙ্গলপাড়া, মনিরামপুর, কুমীরমোড়া, ভগবতীপুর, রমানাথপুর, দুধকলমী হল এই মহকুমার সেন্সাস টাউন।

আরামবাগ মহকুমা চারটি থানা, ছয়টি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক, ছয়টি পঞ্চায়েত সমিতি, ৬৩টি গ্রাম পঞ্চায়েত, ৫৬৭টি মৌজা, ৫৫৪টি জনবসতিপূর্ণ গ্রাম ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। মহকুমার সদর তথা একমাত্র পৌরশহরটি হল আরামবাগ।২০১১ সালের জনগণনার তথ্য অনুযায়ী, হুগলি জেলার মোট জনসংখ্যা ৫,৫১৯,১৪৫, জনসংখ্যার নিরিখে ভারতের ৬৪০টি জেলার মধ্যে হুগলি জেলা ষোড়শ স্থানাধিকারী। এই জেলার জনঘনত্ব ১,৭৫৩ জন প্রতি বর্গকিলোমিটার ২০০১-২০১১ দশকে হুগলি জেলার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ৯.৪৯ শতাংশ। এই জেলার লিঙ্গানুপাতের হার প্রতি ১০০০ পুরুষে ৯৫৮ জন মহিলা  এবং সাক্ষরতার হার ৮২.৫৫ শতাংশ।

 ২০১১ সালের জনগণনার তথ্য অনুযায়ী, হুগলি জেলার সাক্ষরতার হার ৮১.৮০ শতাংশ। চুঁচুড়া মহকুমার সাক্ষরতার হার ৭৯.১৭ শতাংশ, চন্দননগর মহকুমার ৮৩.০১ শতাংশ, শ্রীরামপুর মহকুমার ৮৬.১৩ শতাংশ এবং আরামবাগ মহকুমার সাক্ষরতার হার ৭৯.০৫ শতাংশ। হুগলি জেলা জুড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৩,০১৩ টি , মধ্য বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৫২ টি, উচ্চ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ২৯২ টি , উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালযয়ের সংখ্যা ৩৫৯ টি , সাধারণ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা  ২৮ টি , প্রযুক্তিগত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৮ টি।

হুগলী জেলার জাঙ্গিপাড়া থানার অনর্গত সীতাপুর গ্রামে অবস্থিত সীতাপুর এন্ডাওমেন্ট সিনিয়র মাদ্রাসা , ১৭৫১ সালে স্থাপিত হয় হয় এই প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। শ্রীরামপুর কলেজ ভারতবর্ষে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান।১৮১৮ সালে উইলিয়াম কেরি , জোশুয়া মার্শম্যান ও উইলিয়াম ওয়ার্ড নামে তিনজন খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক দেশীয় পুরোহিত সম্প্রদায় সৃষ্টির মানসে ভারতীয় খ্রিষ্টানদের প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।১৮১৭ সালে হাজি মুহাম্মদ মহসিন হগলী মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন ।

 হুগলি জেলার দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে অন্যতম হল কামারপুকুর, এই গ্রামে ঊনবিংশ শতাব্দীর হিন্দু ধর্ম গুরু রামকৃষ্ণ পরমহংসের পৈত্রিক বাড়ি ও জন্মস্থান অবস্থিত। তারকেশ্বর হুগলি জেলার তথা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম প্রধান তীর্থক্ষেত্র। বাবা তারকনাথের মন্দির এর জন্য তারকেশ্বর সারা ভারতজুড়ে সমাদৃত। হুগলি জেলার একটি অত্যন্তগুরুত্বপূর্ণ মন্দির হল হংসেশ্বরী মন্দির।এইপাঁচতলা ‘তেরোরত্না’ মন্দিরটি বাঁশবেরিয়া এবং ত্রিবেণী রেল স্টেশনের কাছে অবস্থিত।ব্যান্ডেল হুগলির বন্দর বলে মনে হয়।

এটি পর্তুগিজ এবং মোগলদের সময়ের। পর্তুগিজদের একমাত্র ভরসা ছিল চার্চ এবং মঠ।এছাড়াও হুগলির আঁটপুরের মন্দির  , হুগলির গোঘাট থানার শ্যামবাজার গ্রামের ভুবনেশ্বর শিব মন্দির , হুগলি ইমামবাড়া  , শ্রীরামপুর কলেজের উইলিয়াম কেরি যাদুঘর এই জেলার কিছু দর্শনীয় স্থান। এই জেলায় জন্ম গ্রহন করেছেন বেশ কিছু বিশিষ্ঠ বেক্তি , এই জেলার প্রথিতযশা মানুষদের মধ্যে রয়েছে প্রখ্যাত একজন বাঙালী লেখক, ঔপন্যাসিক, ও গল্পকার শরৎচন্দ্র  চট্টোপাধ্যায়ের  জন্ম দেবানন্দপুর গ্রামে৷ ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট বাঙালি কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক অক্ষয়চন্দ্র সরকারের জন্মস্থান  এই জেলার চুঁচুড়ায়৷ রাজা দিগম্বর মিত্রর  জন্মস্থান কোন্নগর, তিনি কলকাতার প্রথম বাঙালী শেরিফ৷

কানাইলাল দত্তর জন্মস্থান এই জেলার চন্দননগর ,  তিনি ভারতের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব । বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় , উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক ,তাঁর আদিনিবাস ছিল হুগলি জেলার দেশমুখো গ্রামে। ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়  জন্মস্থান খন্যান, তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ছিলেন। রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়,  পৈতৃক নিবাস গুপ্তিপাড়ার নিকট রামেশ্বরপুরে৷ তিনি ছিলেন একজন কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং প্রবন্ধকার। মতিলাল রায় জন্মস্থান চন্দননগর,  তিনি একজন বাঙালি বিপ্লবী এবং "প্রবর্তক সংঘ"-এর প্রতিষ্ঠাতা৷কিশোরীচাঁদ মিত্র ,  তাঁর পূর্বপুরুষের আদিবাস ছিল হুগলি জেলায়৷

তিনি লেখক, সরকারি কর্মকর্তা, সমাজসেবক। তাঁর ভাই প্যারীচাঁদ মিত্র৷প্যারীচাঁদ মিত্র তাঁর পূর্বপুরুষের আদিনিবাস ছিল হুগলি জেলায়৷ তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক,  তাঁর ছদ্মনাম "টেকচাঁদ ঠাকুর"৷রাজা রামমোহন রায়,  পৈতৃক নিবাস হুগলি জেলার রাধানগর৷ তিনি ছিলেন ব্রাহ্মসভার প্রতিষ্ঠাতা এবং বাঙালী দার্শনিক। এছাড়াও এই জেলার আরও কিছু বিশিষ্ঠ বেক্তিদের মধ্যে আছেন স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় , ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় , ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর , অক্ষয়কুমার বড়াল, নগেন্দ্রনাথ বসু, বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় , বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়, বিনোদ বিহারী মুখোপাধ্যায়, প্যারীমোহন সেনগুপ্ত , প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় , অশোক মিত্র , অতুল্য ঘোষ, মোহিতলাল মজুমদার , পণ্ডিত মধুসূদন গুপ্ত , মোহিতলাল মজুমদার, অজয় মুখোপাধ্যায়, মুরারী মোহন মুখোপাধ্যায় সহ প্রমুখ বেক্তি।