শীতের সন্ধেতে চা বা কফির সঙ্গে পরিবেশন করুন মুচমুচে পালং পাকোড়া

শীতের সন্ধেতে চা বা কফির সঙ্গে পরিবেশন করুন মুচমুচে পালং পাকোড়া

আজবাংলা   পালং শাক অত্যন্ত পুষ্টিকর কেননা এতে আছে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকাতে সবুজ শাক-সবজি রাখা উচিত। কিন্তু বাচ্চারা অনেক সময় শাক খেতেই চায় না। আর এতে মায়েরাও চিন্তায় পরে যায়। কিন্তু, পাকোড়া তো আমাদের সবারই পছন্দের।

এই শীতের সন্ধেতে পালং শাক দিয়ে যদি মুচমুচে পাকোড়া তৈরি করা যায়, তাহলে কেমন হয়? যারা শাক খেতে পছন্দ করে না, তারাও কিন্তু মজা করে খাবে। আসুন তবে, আজকের প্রতিবেদনে দেখে নিন কীভাবে এই পাকোড়াটি সহজ পদ্ধতিতে করে ফেলবেন।

উপকরন-  পালং শাক- ১ আঁটি, বেসন- ১ কাপ, হলুদ গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ, লাললঙ্কার গুঁড়ো- ১ চা চামচ, জিরা গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ, চাট মসলা- ১ চা চামচ, নুন– পরিমাণমতো, বেকিং পাউডার- ১ চা চামচ, তেল- ভাজার জন্য।

প্রণালী-   প্রথমে শাকের আঁটি থেকে কচি ও সতেজ পাতাগুলো বেঁছে নিন। তারপর পালং পাতাগুলো জল দিয়ে ধুয়ে তুলে রাখুন। অন্যদিকে বড় একটি পাত্রে বেসন, বেকিং পাউডার, লবণ, হলুদ গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো ও লঙ্কার গুঁড়ো দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

এবার এই মিশ্রণে আস্তে আস্তে জল যোগ করুন এবং ঘন করে গোলা তৈরি করে নিন। বেগুনী বা চপ বানানোর জন্য যেমন গোলা বানিয়ে নেন, সেভাবেই এটি বানাতে হবে। কিন্তু খেয়াল রাখবেন, গোলা যেনো পাতলা না হয়ে যায়।

 

এরপর কড়াই বা প্যান বসিয়ে তেল গরম করতে দিন। প্যানের তাপ মাঝারি রাখবেন। তারপর ধুয়ে রাখা পালং পাতা এই গোলায় চুবিয়ে নিন। সবদিকে যেন সমানভাবে কোটিং হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। এবার এটি গরম তেলে দিয়ে দিন এবং বাদামি রং না আসা পর্যন্ত ভাজতে থাকুন।

একপাশ ভাজা হয়ে গেলে সাবধানে উলটিয়ে দিন। ভালোভাবে ভাজা হয়ে গেলে তেল থেকে তুলে কিচেন টিস্যুতে রাখুন ও উপর থেকে সামান্য চাট মসলা ছিটিয়ে দিন। এভাবে এক এক করে সবগুলো পালং পাকোড়া ভেজে নিন। টিস্যুতে রাখলে এটি পাকোড়ার গায়ে লেগে থাকা এক্সট্রা তেল শুষে নেবে। উপরে চাট মসলা দেওয়াতে এটার স্বাদ কিন্তু আরও বেড়ে যাবে।

এবার পছন্দের সসের সাথে গরম গরম পালং পাকোড়া সার্ভ করে দিন। বাচ্চাদের টিফিনে কিংবা বিকালের নাস্তায় দারুণ মানিয়ে যাবে স্ন্যাকসটি। আর আমার তো গরম ভাতের সাথেও এই পাকোড়াটা খেতে ভালোই লাগে।