শীতের খাবার মানেই কচুরি, দেখে নিন রেসিপিটি

শীতের খাবার মানেই কচুরি, দেখে নিন রেসিপিটি

আজবাংলা   কথায় বলে ভোজনরসিক বাঙালি। আর তা যদি হয় শীতকাল তবে নানান বাহারী খাবারের মধ্যে কড়াইশুঁটির কচুরি নামটি শুনলেই জিভে জল আসবে না এমন বঙ্গ সন্তান পাওয়া দুর্লভ। যদিও রোজকার ব্যস্ততা,ফিট থাকতে কড়া ডায়েট’এর শাসন অথবা নানান রোগ ব্যাধিতে জেরবার বাঙালি এখন এমন তেলেভাজা থেকে দূরেই থাকেন।

তবে কিনা মা-ঠাকুমার হাতে বানানো কড়াইশুঁটির কচুরির কথা মনে পড়লে আজও বাঙালি নস্টালজিক না হয়ে পারে না। তাই নতুন বছরে পুরনো স্মৃতি নিয়ে রসনা মেটাতে আজকে আমরা শিখে নেব সহজ পদ্ধতিতে কড়াইশুঁটির কচুরি বানানোর উপায়।

উপকরণ-  ১. মটরশুঁটি সেদ্ধ- ১ কাপ, ২. আলুসেদ্ধ- ১/২ কাপ, ৩. ধনেপাতা কুঁচি- ২ চা চামচ, ৪. পেঁয়াজ কুঁচি- ১ টেবিল চামচ ৫. কাঁচালঙ্কা বাটা- ১ চা চামচ, ৬. নুন- স্বাদমতো, ৭. রসুনবাটা- ১/২ চা চামচ, ৮. শুকনো প্যানে টেলে রাখা জিরা গুঁড়ো- ১ চা চামচ, ৯. গরম মসলার গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ, ১০. ময়দা- ১ কাপ, ১১. ঘি- ২ টেবিল চামচ, ১২. তেল- ভাজার জন্য।

প্রণালী-  ১) প্রথমে একটি বড় বোলে সেদ্ধ করে রাখা আলু ও মটরশুঁটি নিয়ে ভালোভাবে মাস্যাড করে নিন। ২) এতে এক এক করে কাঁচালঙ্কা বাটা, রসুন বাটা, পেঁয়াজ কুঁচি ও নুন দিয়ে মাখিয়ে নিতে হবে। ৩) তারপর মিহি করে কুঁচি করা ধনেপাতা, গরম মসলার গুঁড়ো ও সবশেষে টেলে রাখা জিরা গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। ব্যস, কচুরির পুর রেডি।

৪) অন্যদিকে ময়দা, সামান্য নুন ও ঘি দিয়ে মণ্ড তৈরি করে নিন। লুচি বা পরোটার জন্য যেভাবে ময়ান দেওয়া হয়, ঠিক সেভাবেই করে নিতে হবে। ৫) এবার ছোট ছোট করে রুটি তৈরি করে ভেতরে পুর ভরে দিন। সামান্য তেল লাগিয়ে হালকা করে আবারও বেলে নিন।

৬) এভাবে সবগুলো কচুরি বানিয়ে নিন। খেয়াল রাখতে হবে পুর যেন বের না হয়ে যায়। ৭) তারপর কড়াইতে তেল গরম করে অল্প আঁচে সময় নিয়ে কচুরিগুলো ভাজতে হবে। ৮) দুইপিঠ হালকা গোল্ডেন রঙ হলে তেল নামিয়ে টিস্যুতে রাখুন। এতে এক্সট্রা তেল টেনে নেবে। ব্যাস, রেদি। এবার পছন্দের সস বা কেচাপের ও কোন তরকারির সাথে পরিবেশন করুন।